Showing posts with label High Court. Show all posts
Showing posts with label High Court. Show all posts

Saturday, September 27, 2014

Letter To West Bengal CM

মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু

আপনি ক্ষমা না করলে আমার সর্বনাশ

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৪, 
(সৌজন্য - আনন্দবাজার পত্রিকা)








মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু
নবান্ন
হাওড়া

শ্রীচরণেষু দিদি,

প্রথমেই আমার ও আমার বৃদ্ধা মা সহ আমার পরিবারের প্রণাম নেবেন।
এই চিঠি আমার আশি বছরের মায়ের নির্দেশেই। এই রাজ্যের অনেকের মতোই উনিও বিশ্বাস করেন, মহাশক্তির অংশে আপনার জন্ম। আপনার আশীর্বাদের হাত যার মাথায়, তাকে যমেও ছুঁতে ভয় পায়। তাই দূর গাঁয়ের মানুষ হয়েও ওঁর ইচ্ছা, কালীঘাটে মাকে প্রণাম করে ফেরার পথে এক বার আপনার পদধূলি মাথায় ছোঁয়াবেন। তাতেই নাকি ওঁর সব পাপ ক্ষালন হয়ে যাবে।
আপনার যে শক্তির অংশে জন্ম, তা উনি অনেক দিন থেকেই বলেন। তাঁর মতে, সাধারণ মানুষ তাদের অজ্ঞতার জন্যই দীর্ঘকাল আপনার শক্তিকে উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয়েছিল। দৈবের বিধিই এমন যে, অজ্ঞ সমাজকে আগুনের মধ্য দিয়ে আত্মশুদ্ধি করতে হয়, চিত্ত শুদ্ধ হলেই তবেই মানুষ শক্তিরূপিণীকে চিনতে পারে। যখন আপনার জয়ের খবর এল, মা তখন হাত জোড় করে বলেছিলেন, ‘এ বার দেশে ধর্ম ফিরবে।’
আমি দিদি অতশত বুঝি না। খালি এটা বুঝি, আপনি ক্ষমা না করলে আমার সর্বনাশ অবধারিত। দাদা বলেন, আমার বুদ্ধিতে নাকি গোবরের আধিক্য। তা সে যতই গোবর হোক, নিজের হিতাহিত বোঝার ধকটুকু আছে। তার উপরে মায়ের বকুনি। আগের চিঠিটার কথা উনি জানতেন না। সর্বনাশটা হয়েছিল গাঁয়ের এক দাদাকে চিঠিটা দেওয়ায়। আপনার কাছে পৌঁছে দিতে বলেছিলাম, কিন্তু তিনি রগড় করতে তাঁর কলকাতার এক সাংবাদিক বন্ধুর হাতে সে চিঠি তুলে দেন। আর সে আরও রগড় করে খবরের কাগজে ছাপিয়ে দেয়।
সেই চিঠিতে তো আমি যা লিখেছিলাম তার নাকি মানে দাঁড়ায় যে, আপনি স্বৈরাচারী। এই শব্দটার মানে আমি ঠিক জানতাম না। আসলে হয়েছিল কী, সেই যে বাচ্চার ডাক্তার, যে নাকি কলকাতার সরকারি হাসপাতালে সদ্যোজাতদের বাঁচানোর জন্য কী সব ব্যবস্থা করেছিল কম টাকায়। কিন্ত লোকটা ঠেঁটা ছিল। তাকে কেমন শাস্তি দিলেন। সেটা দেখেই আমি ওই চিঠি লিখি। আমি লিখেছিলাম, ক্ষমতায় এসেই আপনি যে এই হাতে মাথা কাটছেন, তা ঠিক হচ্ছে না। তখন ছাই বুঝিনি যে আসলে আপনি কী করছেন। কিন্তু মা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, লোকশিক্ষের জন্য শক্তিপ্রদর্শন করতে হয়, আপনি ওই ডাক্তারটাকে শাস্তি দিয়ে লোককে শিক্ষে দিয়েছিলেন। সে নাকি এখন দিল্লি পালিয়েছে। তবে? যদি সেই ধকই থাকত তা হলে কি পালাত? তখন আমি এ-সব বুঝিনি তো, কী করব? বোকা মানুষ। তাই তো লোকে আমায় বেকুব বলে।
এটাই মোদ্দা কথা। শক্তির অংশ কি না তা তোমার বোঝার দরকার নেই। সে কঠিন কথা। সোজা কথা সোজা ভাবে বোঝ না বাপু। রাজ্যে থাকবে আর রাজাকে থুড়ি রানিকে  মানবে না? তার পরেও যদি আইন তোমার বিরুদ্ধে যায়, রাজপেয়াদার হুড়কো খাও, তখন লাফালাফি?
কিন্তু দেখুন, আপনার অনুগত যে, তাকে তো কোথাও বদলি হতে হয় না! এই যে অনুব্রত। সবাই তো সেই কবে থেকে ওর ন্যাজ মুচড়োতে চাইছে। চাইছে কি না? কিন্তু আপনার আশীর্বাদের হাত ওর মাথায় আছে, সুতরাং কেউ কুটোটি নাড়তে পারছে না। কিংবা ধরুন, উত্তরবঙ্গে কী একটা মশা কামড়ানো রোগে সব মারা পড়ছিল। আপনি বললেন, ‘ধুস!’ অমনি সব মশা ফুস হয়ে গেল, সব মরা অমনি বন্ধ। গেল কি না? তবে? হ্যাঁ, মা সব বুঝিয়ে দিয়েছেন আমায়। মা যা বোঝেন, তা এই শহুরে বাবুরা এত বুদ্ধি নিয়ে কেন যে বোঝে না!
বলে কিনা, ‘রাজধর্ম পালন কর।’ বলিহারি যাই বাবা! আরে, রাজধর্ম কি রাজদণ্ড ছাড়া পালন করা যায়? সবাই মিলে ভোট করে রাজ্যপাট দিয়েছ, আর এখন বলছ শাসন কোরো না? এই যে চ্যাংড়ার দল। বলে কিনা ভিসির চামড়া গুটিয়ে দেবে! বোঝো আবদার! তো, শিশুর দল আজগুবি আবদার করবে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। কিন্তু রানি, তিনি তো নাগরিকের অভিভাবক, মাতৃতুল্য। যখন শিশুরা অন্যায় আবদার করে, তখন মা তাদের শাসন করেন না? এরা এটাই বুঝতে পারছে না যে আপনি শুধু মায়ের ভূমিকায় বাচ্চাদের শাসন করেছেন মাত্র। আবার বলে, গণতন্ত্র নেই। আরে, মা তার সম্তানকে শাসন করছে, তাতে আবার তন্ত্রটন্ত্র টানা কেন বাবা?
বাবুদের আবার ভিসির ভয় পাওয়া নিয়েও আপত্তি। চামড়া গুটিয়ে নেওয়ার স্লোগান নাকি বহু পুরনো। তা হবে। কিন্তু উনিও চাড্ডি বই পড়েই ভিসি হয়েছেন, না কি! এক বার ভাবুন তো, রামের ডাকে এই বাঁদরকুল কী লঙ্কাকাণ্ডই না করেছিল? তা উনি কোন ভরসাতেই বা রামভক্তদের মন পড়তে যাবেন? কী করেই বা জানবেন, দেবীপক্ষের প্রাক্কালে এরা সব রক্তবীজ নয়? এমতাবস্থায় সবাই যা করে, উনিও তাই করেছেন। দিদি, উনি আপনাকে স্মরণ করেছেন। ভক্তের আহ্বানে আপনাকে তো শক্তিরূপেই প্রকট হতে হবে। তা-ই হয়েছেন। বাবুরা হতভাগ্য, পাপীতাপী, আপনার দৈব অংশকেই আসুরিক বলে মনে করে লম্ফঝম্প করছেন।
দিদি, আপনার সময় কম। সবাই বলে, আপনার এত কাজ যে এক গোছা সচিব নিয়েও তা সামলানো মানুষের পক্ষে অসম্ভব, বিশেষ করে এই অর্বাচীনের রাজ্যে। বহুভুজা না হলে ওই রকম চকচকে পরিষ্কার কাজের টেবিল হতে পারে কি? তারই মাঝে আমার এই চিঠি। আপনি খামের উপর চোখ বোলালেই বুঝে যাবেন আমার মনের কথা। তবুও এতটা লেখা, কারণ যদি কোনও সচিব— সে তো আপনার মতো অন্তর্যামী নয়— সাদা কাগজ দেখে দুষ্টু লোকের চ্যাংড়ামি ভেব ফেলে দেয়! তাই এতটা লিখে আমাকে প্রমাণ করতে হল যে কতটা অনুতাপ আমার হয়েছে।
আমি আর কিছু চাই না। শুধু আপনার আশীর্বাদ। আমি বোকা বলে কেউ আমায় কাজ দেয় না। আপনার আশীর্বাদ পেলে আগামী চার পুরুষ অন্তত খাওয়ার চিন্তা থাকবে না।

ইতি
আপনার একান্ত অনুব্রততুল্য অনুগত আশীর্বাদপ্রার্থী
শ্রীমান বেকুব


The State Sponsored Terror in West Bengal

Mamta destroys democracy, pushed Bengal towards anarchy

সম্পাদকীয় ১

নৈতিকতার দায়

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৪, 
(সৌজন্য - আনন্দবাজার পত্রিকা)




মুড়ি নারকেল খাওয়াইবার সুপরামর্শে রাজ্যের অন্ধকারগুলি ঢাকা পড়িতেছে না। কলিকাতা হাইকোর্ট দ্ব্যর্থহীন ভাষায় পাড়ুই মামলায় রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করিয়াছে। শুধু পাড়ুই মামলাতেই নহে, রাজনৈতিক চাপের নিকট মেরুদণ্ড বিসর্জন দেওয়া পুলিশের অভ্যাস হইয়া উঠিয়াছে। সারদা-কাণ্ড বড় উদাহরণ। তাপস পাল-কাণ্ডেও পুলিশ ধ্যানমগ্ন ছিল। শুধু পুলিশ নহে, যতগুলি প্রতিষ্ঠানকে নষ্ট করা সম্ভব, তাহাদের নিরপেক্ষতা লঙ্ঘন করা সম্ভব, সরকার করিয়াছে। রাজ্যের মানবাধিকার কমিশন নীরব হইয়াছে, মহিলা কমিশন সরকারের সানাই বাজাইতে ব্যস্ত। অন্ধকারের শাসন প্রতিষ্ঠা করিতে যাহা করণীয়, মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁহার পাইক-বরকন্দাজরা কিছুই বাদ রাখেন নাই। পশ্চিমবঙ্গের সরকার যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অনাগ্রহী, বিভিন্ন সাম্প্রতিক মামলায় আদালতের পর্যবেক্ষণে কথাটি স্পষ্ট। সিবিআই আদালতের দ্বারস্থ হইয়া জানাইয়াছে, সারদা মামলার তদন্তে যত রকম অসহযোগিতা সম্ভব, রাজ্য পুলিশ করিতেছে। দেখা যাইতেছে, রাজ্যের শাসকদের নিয়ন্ত্রণে থাকা কোনও প্রতিষ্ঠানের উপরই কাহারও আর ভরসা নাই। পুলিশ, আমলাতন্ত্র যে ভাবে রাজনৈতিক প্রভুদের নিকট জোড়হস্ত হইয়াছে, তাহাতে ভরসা থাকিবার কারণও নাই। সেই কারণেই সিবিআইয়ের মুখাপেক্ষী না হইলে এই রাজ্যে তদন্ত হয় না, আদালতের দ্বারস্থ না হইলে সুবিচার মেলে না। এই অন্ধকার অতি অস্বাভাবিক।
পশ্চিমবঙ্গে কেন, গোটা দেশের ইতিহাসেই এমন সুতীব্র পক্ষপাতী, দলতন্ত্রে বিশ্বাসী ও নীতিজ্ঞানহীন শাসক বিরল। এই অন্ধকারে আইনের শাসন বজায় রাখিবার দায় হইতে আমলাতন্ত্র ও পুলিশের কর্তারা অব্যাহতি পাইবেন না। পাড়ুই মামলায় কলিকাতা হাইকোর্ট রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশককে তলব করিয়াছিল। তিনি আদালতে সরকারের প্রতিনিধিরূপেই উপস্থিত ছিলেন বটে, কিন্তু শুধু সেটুকুই নহে। তাহা ব্যক্তি জিএমপি রেড্ডিরও উপস্থিতি। সেই ব্যক্তি, দেশের সংবিধান যাঁহাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব দিয়াছে। তিনি যখন আদালতে দাঁড়াইয়া অনুব্রত মণ্ডলকে নির্দোষ ঘোষণা করিতেছিলেন, অথবা কলিকাতার নগরপাল যখন যাদবপুর কাণ্ডে নিরস্ত্র পুলিশের উপর সশস্ত্র বহিরাগতদের চড়াও হওয়ার আষাঢ়ে গল্প ফাঁদিতেছিলেন, তখন তাঁহারা এই সংবিধানের অবমাননা করিয়াছেন। তাঁহারা নিজেদের সত্তার অবমাননা করিয়াছেন।
যাহা করিয়াছেন, উপরমহলের নির্দেশেই— এমন কথা বলিয়া নৈতিকতার বিচার পার হইবার উপায় তাঁহাদের নাই। ক্ষেত্রবিশেষে উপরমহলের আদেশ অমান্য করাই যে নৈতিক কর্তব্য, এই কথাটি বিভিন্ন সময়ে উচ্চারিত হইয়াছে। যথা দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পরে নাত্সি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সময় প্রসিদ্ধ নুরেমবার্গ মামলায়। সেই মামলার সূত্রে সঙ্কলিত ‘নুরেমবার্গ নীতি’র চতুর্থ অনুচ্ছেদ স্পষ্ট বলিতেছে, এমন পরিস্থিতি উপস্থিত হইতেই পারে যেখানে চাকুরির সংকীর্ণ কর্তব্যের সহিত বৃহত্তর নৈতিকতার বিরোধ প্রত্যক্ষ। তখনও যদি কেহ নৈতিকতাকে অগ্রাধিকার না দেন, উপরমহলের অন্যায় আদেশ অমান্য করিবার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও যদি তাহা না করেন, তবে তিনি অপরাধী। আদেশ অমান্য করিবার মধ্যে কর্তব্যে অবহেলা নাই, বরং বৃহত্তর কর্তব্যের প্রতি প্রশ্নাতীত দায়বদ্ধতা রহিয়াছে। সেই কর্তব্য নৈতিকতার নিকট, নিজস্ব ন্যায়বোধের নিকট। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে আমলাতন্ত্র বা পুলিশ মন্ত্রিসভার নির্দেশ মানিয়া চলিবে, ইহাই প্রত্যাশিত। কিন্তু, সরকার এই রাজ্যে স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখিতে পারে নাই। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে গণতন্ত্রের পক্ষে যাহা শোচনীয়, এখন তাহাই গণতন্ত্রকে রক্ষা করিতে পারে। পুলিশ-প্রশাসনের আধিকারিকদের বিবেকের কণ্ঠ শুনিলে হয়তো পশ্চিমবঙ্গ বাঁচিবে।


মমতার নিজের পুলিশে আস্থা নেই, পাশে চান দিল্লিকেই

Wednesday, August 27, 2014

মমতার খামখেয়ালীপনায় মেট্রো প্রকল্প বন্ধ, হাইকোর্ট এর ভতর্সনা

ইস্ট-ওয়েস্ট

নকশা বদলে রাজ্যের মত শুনতে নারাজ কোর্ট

নিজস্ব সংবাদদাতা

২৭ অগস্ট, ২০১৪, ০২:৪৭:৩৬
(সৌজন্য - আনন্দবাজার পত্রিকা)









ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের নকশা কী হবে, তাতে রাজ্য সরকার কোনও মত দিতে পারে না বলে মন্তব্য করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানির সময়ে বিচারপতি নাদিরা পাথেরিয়া মন্তব্য করেন, ২০১৩-র ১৬ জুলাই প্রকল্পের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছে রাজ্য। সে ক্ষেত্রে প্রকল্পের নকশার ব্যাপারে রাজ্যের কোনও বক্তব্য থাকতে পারে না।
হাইকোর্টের নির্দেশে গত বছরে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্প নিয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি কমিটিও গড়া হয়েছে। সেই কমিটিও কিন্তু বিকল্প নকশার ব্যাপারে মাথা ঘামায়নি। তবে রাজ্য এ নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে কেন, বিচারপতি তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, এই প্রকল্পের মালিকানা এখন কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক এবং কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের। তাই প্রকল্পের নকশার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে ওই দুই মন্ত্রকই।
তা হলে রাজ্য সরকারের কি কোনও কাজ নেই এই প্রকল্পে? বিচারপতি পাথেরিয়া বলেন, প্রকল্প রূপায়ণের জন্য হকার সরানো, যান-নিয়ন্ত্রণ, বিদ্যুতের লাইন সরানোর মতো কাজে সহযোগিতা করবে রাজ্য।
ইস্ট-ওয়েস্ট প্রকল্প কোন পথে যাবে, তা নিয়ে অনেক দিন ধরেই জটিলতা তৈরি হয়েছে। রাজ্য সরকার ও মেট্রো কর্তৃপক্ষের মধ্যে নকশা বদল নিয়ে মতানৈক্যের জেরে দীর্ঘদিন ধরে কাজ বন্ধ হয়ে আছে। এর পরেই গত মে মাসে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন।
এ দিন ওই মামলার শুনানিতে রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল অশোক বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর গতিপথের বিকল্প একটি নকশা আদালতে পেশ করেন। কিন্তু তাতে কোনও আধিকারিকের সই ছিল না। সই নেই কেন, তা জানতে চান বিচারপতি। রেল ও কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রকও জানায় যে, তারা এই নকশার কথা জানে না। বিচারপতি পাথেরিয়ার নির্দেশ, রাজ্যের পেশ করা বিকল্প নকশা তারা গ্রহণ করবে কি না, রেল ও কেন্দ্রীয় নগোরোন্নায়ন মন্ত্রক আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা দিয়ে জানাক। পরিবর্তনে খরচ বাড়লে তারা বহন করতে পারবে কি না, তা-ও হলফনামায় জানাতে হবে।
সেন্ট্রাল স্টেশনকে শহরের দুই মেট্রোর জংশন স্টেশন করতে চান মেট্রো কর্তৃপক্ষ। প্রকল্পের মূল নকশায় বদল এলে খরচ এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে যাবে বলে কোর্টে জানিয়েছেন ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বিকল্প নকশায় রাজ্য জানিয়েছে, কলকাতা মেট্রো ও ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর জংশন হবে এসপ্ল্যানেডে। রাজ্যের বক্তব্য, নকশা বদলালে অনেক বেশি মানুষের তাতে সুবিধে হবে। লন্ডনের পিকাডিলি মেট্রো স্টেশনের উদাহরণ পেশ করে গত ২১ অগস্ট বিচারপতি নাদিরা পাথেরিয়া আদালতে প্রশ্ন তুলেছিলেন, ওই স্টেশনের মতো সেন্ট্রাল স্টেশনকে জংশন করলে অসুবিধে কোথায়?
এ দিন বিচারপতি পাথেরিয়া ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো কর্তৃপক্ষ এবং প্রকল্পের ঠিকাদার সংস্থাকেও হলফনামা জমা দিয়ে নিজেদের অবস্থান জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর।
এ দিকে, ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর যাত্রাপথ পরিবর্তনের এক্তিয়ার রাজ্য সরকারের নেই বলে হাইকোর্ট যে মন্তব্য করেছে, তাকে স্বাগত জানান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। তাঁর বক্তব্য, “রেলের প্রাক্তন এক মন্ত্রী হিসেবে আমি মনে করি, যে কোনও শহরে মেট্রো নগরোন্নয়ন দফতরের হাতেই থাকা উচিত। আদালত কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলে থাকলে তার চেয়ে ভাল কিছু হয় না।” অধীর বলেন, “রেলমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই পদ্ধতিটা পাল্টে সবটা রেলকে দিয়ে করাতে চাইলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় নোট দিয়ে আলাদা করে পাশ করালেন। তখন রাজ্যে বাম সরকার। পাছে তাদের কৃতিত্ব হয়ে যায়, তাই সরিয়ে নিলেন। রেল দায়িত্ব নিতেই প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হল।” অধীরের অভিযোগ, রাজ্যের হস্তক্ষেপে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর ‘রুট অ্যালাইনমেন্ট’ পরিবর্তন করায় জাপানি সংস্থা জাইকা বিনিয়োগে বেঁকে বসেছিল। কারণ, খরচ বাড়ার আশঙ্কা ছিল।

Thursday, February 7, 2013

Mamata minister threat people to murder



HC orders probe against Trinamool minister



KOLKATA: The Calcutta high court on Wednesday directed the Murshidabad police super to investigate a complaint against Trinamool minister Humayun Kabir for allegedly threatening to bump off a former colleague.
Justice Dipanka Dutta, who was hearing a petition filed by Santu Singh alleging police inaction on his complaint against Kabir, also asked the SP to provide security to the petitioner saying the officer would be held responsible if anything happened to him.
Kabir, a former Adhir Chowdhury (MoS Railways) loyalist, quit Congress and joined Trinamool last November and was immediately made the minister of state for animal resources development. He is now seeking re-election from Murshidabad's Rezinagar where Assembly bypolls are slated on February 23.
Singh is a cashier in a Berhampore-based company, Aroma Enterprises, in which Kabir worked as a supervisor till mid-2012. Adhir Chowdhury is the patron of the firm. Sinha claims Kabir was furious with him for filing a police complaint against him for financial irregularities during his tenure as supervisor. On December 23, the minister allegedly called up to pressurize him into withdrawing the complaint. The call was recorded.
Singh filed a complaint with Berhampore police station the same day. In January, he moved the high court seeking an impartial probe by the CBI into his complaint. The court then directed him to provide adequate proof to corroborate his charges. On Wednesday, Singh produced in court call details and CDs with voice recordings of the conversation.
Speaking to ToI earlier, Kabir had admitted calling up Sinha but only to ask him to pay Rs 5 lakh to a brick-kiln owner. The minister had also claimed that Aroma owed him Rs 1.03 crore as remuneration for his services, but had cleared only Rs 20 lakh. He also alleged that on November 1, Sinha had threatened him. But unlike Sinha, he hadn't recorded the conversation.





Tuesday, January 1, 2013

Mamata's minister ridiculed country's law and court

By FnF Correspondent


Calcutta HC issues contempt notice against TMC Minister Kolkata: The Calcutta High Court on Tuesday took suo motu cognisance of the remarks made by the Trinamool Congress Minister Becharam Manna at Singur on December 2 and issued a contempt rule against him.

The Court directed Mr. Manna to be present before the Court on December 18 and defend the remarks made by him at a public rally at Singur in the State’s Hooghly district on December 2.

Bikash Ranjan Bhattacharya, senior advocate of the Court who pleaded on the behalf of lawyers who brought the matter to the notice of Court said that Mr. Manna’s comments “directly interfered with administration of justice and were an attempt to scandalise the image of the judiciary.”

He presented before the Court the newspaper reports referring to Mr. Manna’s remarks of the rally held at Singur. The Court also directed the newspapers that carried the story and television channels that telecasted the programme to file affidavit before the Court and submit materials collected by their journalist.

Mr. Manna remarks which went on record sparked widespread criticism, even as his senior ministerial colleague Partha Chatterjee tried to do some damage-control on Monday.

The Court has earlier admitted a petition where Chief Minister Mamata Banerjee had made objectionable comments about the Judiciary. The matter is pending before the High Court.