!ncredible !ndia

Showing posts with label administration. Show all posts
Showing posts with label administration. Show all posts

Wednesday, September 10, 2014

Mamta's unprecedented corruption is the root cause of all evil in West Bengal

সম্পাদকীয় ১ (সৌজন্য - আনন্দবাজার পত্রিকা)

ক্রান্তিকাল

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৪, ০০:০০:১৬


রজত মজুমদার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একটি শীর্ষ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। অবসরগ্রহণের অব্যবহিত পরেই তিনি রাজনীতিতে যোগদানের সিদ্ধান্ত লইয়াছিলেন। ইহা আইনে আটকায় না। কিন্তু ঔচিত্যবোধ আইনের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নহে। সেই ঔচিত্যবোধ এই সিদ্ধান্তের যাথার্থ্য লইয়া বিলক্ষণ প্রশ্ন তুলিবে। বিশেষত, তাঁহার গ্রেফতারির পর। কাহারও গ্রেফতার হওয়া এবং তাঁহার অপরাধ প্রমাণিত হওয়া অবশ্যই এক কথা নহে। আইনের চোখে রজতবাবু এখনও নিরপরাধ। কিন্তু, অকারণে কেহ গ্রেফতার হন না। মনে করিবার কারণ আছে, তিনি তদন্তকারীদের সহিত যথেষ্ট সহযোগিতা করেন নাই। বস্তুত, সারদা গোষ্ঠীর সহিত তাঁহার সম্পর্ক সম্বন্ধে তিনি ইতিপূর্বে যাহা বলিয়াছেন, তাহার সবই যে সত্য ছিল না, তাহা ইতিমধ্যেই প্রকাশিত। আরও প্রশ্ন, যাঁহার চাকুরিজীবনের একটি বড় অংশ গোয়েন্দা বিভাগে কাটিয়াছে, তিনি সারদা গোষ্ঠীর স্বরূপ টের পান নাই? কেন তাঁহার অবসরগ্রহণের পরেই একটি সংস্থা তাঁহাকে প্রায় দশ গুণ বেতনের চাকুরি দিতেছে, তিনি বোঝেন নাই? তিনি যে সজ্ঞানে, সম্ভবত দলীয় নির্দেশেই, সারদা গোষ্ঠীর সহিত যুক্ত হইয়াছিলেন, তেমন অনুমানের যথেষ্ট কারণ আছে।
ব্যক্তি অকিঞ্চিৎকর। ভূতপূর্ব ডিজির প্রকৃত গুরুত্ব প্রতীক হিসাবে। পশ্চিমবঙ্গে এখন যে ক্রান্তিকাল চলিতেছে, তাহার প্রতীক। প্রাক্তন সহকর্মীরা যাঁহাকে আপাদমস্তক দুর্নীতিগ্রস্ত হিসাবে চিহ্নিত করিতেছেন, সেই ব্যক্তি পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের অন্দরমহলের বাসিন্দা। সারদা গোষ্ঠীর ন্যায় এক ভুঁইফোঁড় সংস্থায় প্রশ্নযোগ্য কাজে যুক্ত থাকা রজতই এই রাজ্যেই দুইটি অতি জরুরি সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার ছিলেন, সম্ভবত এখনও যুক্ত আছেন। সততা বা স্বচ্ছতা হয়তো বর্তমান শাসকদের চোখে যোগ্যতা রূপে বিবেচিত হয় না। বস্তুত, দলীয় স্বার্থ রক্ষা ভিন্ন রাজ্যের জন্যও যে তাঁহাদের কিছু করণীয় আছে, পশ্চিমবঙ্গের শাসকদের দেখিয়া বুঝিবার উপায় নাই। এক ভূতপূর্ব পুলিশ অফিসারের হুঁশিয়ারির পরেও মুখ্যমন্ত্রী নির্বিকার থাকিয়াছেন। একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের তরফে সঞ্চয়ের বাজারে বিপুল গরমিলের খবর পাইয়াও অমিত মিত্র রা কাড়েন নাই।  প্রশাসনও যেন শাসকদের যোগ্য হইয়া উঠিয়াছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট-কে সারদা কেলেঙ্কারির তদন্তের উপযুক্ত জ্ঞান করিতেন ও দৃশ্যত এখনও করেন, তাহাদের বিরুদ্ধে তথ্য লোপাটের অভিযোগ উত্তরোত্তর প্রকটতর হইয়া উঠিতেছে। সন্দেহ প্রবল যে, সত্যসন্ধান নহে, ক্ষমতাসীনদের পিঠ বাঁচানোই সেই তদন্তকারী দলের কাজ ছিল। অনুমান করা চলে, তাহা রাজনৈতিক নির্দেশ মোতাবেকই হইয়াছিল, কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করিবার মতো মেরুদণ্ড এই রাজ্যের প্রশাসনের নাই।
পশ্চিমবঙ্গে এখন যে অন্ধকার নামিয়া আসিয়াছে, তাহা আক্ষরিক অর্থেই অ-পূর্ব। গত শতাব্দীর বহুচর্চিত ষাট-সত্তরের দশকের সহিতও তাহার তুলনা চলে না। তখন রাজনৈতিক হিংসা ছিল, বিপরীতে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ছিল। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ শাসক দলের প্রায় সব নেতা-মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এমন পাইকারি ভ্রষ্টাচারের অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গে কখনও উঠে নাই। এত ধোঁয়ার পিছনে কোনও আগুন নাই? সিপিআইএম-এর আমলেই যে এই ক্রান্তিকালের বীজ বপন হইয়াছিল, আলিমুদ্দিন স্ট্রিটও অস্বীকার করিবে না। কিন্তু, গত তিন বৎসরে পশ্চিমবঙ্গ যে অতলে নামিয়া গিয়াছে, তাহা অকল্পনীয়। এই অন্ধকার পার হওয়া সম্ভব, কিন্তু তাহার জন্য শুধু সিবিআই, আদালত বা সংবাদমাধ্যমের মুখাপেক্ষী হইয়া থাকিলে চলিবে না। নাগরিক সমাজকে জাগিতে হইবে। আমলাতন্ত্রের অভ্যন্তর হইতে নৈতিকতার কণ্ঠস্বরকে আত্মপ্রকাশ করিতে হইবে। সদর্থক বিরোধী রাজনীতিকে সক্রিয় হইতে হইবে। সম্মিলিত চেষ্টা ব্যতীত এই ক্রান্তিকাল ফুরাইবে না।
at 6:15 PM 0 comments
Email ThisBlogThis!Share to XShare to FacebookShare to Pinterest
Labels: administration, Ananda Bazar Patrika, citizen, corruption, democracy, doublespeak, editorial, hypocrisy, Mamata Banerjee, police, Rajat Majumdar

Sunday, September 7, 2014

Mamta does not take any action against her party leaders even after police assaults by them

শাসকের শাসনে গুটিয়ে পুলিশ, উদ্বেগে কর্তারা

নিজস্ব সংবাদদাতা (সৌজন্যেঃ আনন্দবাজার পত্রিকা)

কলকাতা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪, ০৩:০৮:৩২




এখনও অধরা সুদীপ্ত ঘোষ। শনিবার দিনভর বোলপুরের রাস্তায় তাই এ ভাবেই প্রতিবাদ জানালেন স্থানীয় এক বাসিন্দা। ছবি: বিশ্বজিৎ রায়চৌধুরী

রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের হাতে পুলিশের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা এ রাজ্যে নতুন নয়। কিন্ত গত তিন বছরে শাসক দলের হাতে পুলিশ যে ভাবে বারবার আক্রান্ত হয়েছে এবং তার পরেও তাদের ‘ঠুঁটো’ হয়ে থাকতে হয়েছে, তাতে আশঙ্কায় বাহিনীরই একাংশ।
এবং এতে গোটা পুলিশ বাহিনীর মনোবলই যে তলানিতে ঠেকছে, সে বিষয়ে কোনও সংশয় নেই ওই পুলিশকর্তাদের। তাঁদের বক্তব্য, যে ভাবে একের পর এক ঘটনায় কিল খেয়ে কিল হজম করে যেতে হচ্ছে,  তাতে পরে বাহিনীকে উদ্বুদ্ধ করা সহজ নয়। এক পদস্থ পুলিশ কর্তার কথায়, “পুলিশ সমাজের রক্ষক। কিন্তু সেই রক্ষকই যখন আক্রান্ত এবং আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকেই নবান্নের দিকে চাতক পাখির মতো তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে, তখন আইনভঙ্গকারীরাই উৎসাহিত হচ্ছে।” রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এ ধরনের একের পর এক ঘটনার পরেও যে ভাবে পুলিশকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা হচ্ছে, তার সুদূরপ্রসারী ফল যে ভাল হবে না, তা বুঝছেন উঁচুতলার অফিসারেরাও।
তাঁরা বলছেন, শাসক দল নিজেদের স্বার্থে পুলিশকে ব্যবহার করে, এটা কারও অজানা নয়। বাম আমলেও তার অন্যথা হয়নি। কিন্তু বর্তমানে যে ভাবে পুলিশের প্রতিটি কাজে নবান্ন নাক গলাচ্ছে এবং সেই ‘ডিক্টেট’ মতো পুলিশকে চলতে হচ্ছে, তাতে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ছে বলে মনে করছেন কর্তাদের একাংশ।
তা বলে বোমার আঘাতে বা ওয়ান শটারের গুলিতে উর্দি পরা পুলিশ রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়লেও বাহিনীর কর্তারা মুখে কুলুপ এঁটে থাকবেন? প্রশ্ন তুলেছেন প্রশাসনের অনেকেই। তাঁদের বক্তব্য, বুধবার রাতে বোলপুর থানায় ঢুকে শাসক দলের নেতার বিরুদ্ধে পুলিশকে মারধরের যে অভিযোগ উঠেছে এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে বীরভূমের এসপি অলোক রাজোরিয়া যা বলেছেন, সেটাই এ রাজ্যের পুলিশের প্রকৃত ছবি। মাত্র চার বছর চাকরি হয়েছে, তা সত্ত্বেও যে ভাবে তিনি বর্তমান পুলিশি ব্যবস্থার সার সত্যটা বলেছেন, তা প্রশংসারই দাবি রাখে বলে মত নবান্নের একাংশের।
যদিও প্রশাসনেরই অন্য একটি অংশ এর বিরুদ্ধ মত পোষণ করে বলেছেন, এসপি-র চাকরি পুলিশে শুরু বলেই গণ্য হয়। এর পর যদি রাজোরিয়াকে অপেক্ষাকৃত গুরুত্বহীন পদে বদলি করে দেওয়া হয়, তখন কাউকেই উনি পাশে পাবেন না। কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন গোয়েন্দাপ্রধান দময়ন্তী সেনের প্রসঙ্গ টেনে প্রশাসনের ওই কর্তারা বলছেন, নতুন সরকারের গোড়ায় এমন ‘শাস্তিমূলক’ পদক্ষেপের সাক্ষী থেকেছে রাজ্যের মানুষ। পার্ক স্ট্রিট কাণ্ডে ধর্ষণের কথা কবুল করে উত্তরবঙ্গে বদলি হতে হয়েছিল ওই মহিলা আইপিএসকে।
কিন্তু কী বলেছেন বীরভূমের পুলিশ সুপার? কেন থানায় হামলা চালানোর পরেও শাসক দলের নেতাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না, সেই প্রসঙ্গে শুক্রবার সাংবাদিকদের তিনি বলেছিলেন, “এটুকু বলতে পারি, পুলিশ খুব কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। আমরা সবাই মিলে এর মোকাবিলা করব।” রাজোরিয়ার এই বক্তব্য সংবাদমাধ্যমে দেখে শনিবার সকাল থেকেই তাঁকে ফোন করতে শুরু করেন বিভাগীয় সিনিয়রেরা। তাঁদের কয়েক জনের পরামর্শ, সব সত্য বলতে নেই। সরকারের নির্দেশ পালন করাই পুলিশের কর্তব্য।
সিনিয়রদের এ হেন পরামর্শে কিছুটা চাপের মুখেই আগের দিনের মন্তব্য থেকে সরে এসেছেন রাজোরিয়া। শনিবার তিনি বলেন, “আমি ও রকম কোনও কথা বলতে চাইনি। আমার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে।” তা হলে আপনার বক্তব্য কী? রাজোরিয়া বলেন, “ওই মামলায় এখনও উল্লেখযোগ্য কিছু হয়নি। তদন্ত শুরু হয়েছে। আইন অনুযায়ীই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
কিন্তু ঘটনা হল, পুলিশের উপরে ওই হামলার পরে ৭২ ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও একজনকেও গ্রেফতার করেনি বোলপুর থানার পুলিশ। অথচ, শুক্রবার রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, এফআইআর যখন হয়েছে তখন ‘অ্যাকশন’ নেওয়া উচিত। কী সেই ‘অ্যাকশন’, শনিবার রাত পর্যন্ত অবশ্য তা জানতে পারেননি রাজ্যের মানুষ।
তবে প্রশাসনের একাংশ এত দিনে এটা জেনে গিয়েছেন, অভিযুক্ত যদি শাসক দলের নেতা বা কর্মী হন, তা হলে থানায় এফআইআর হওয়ার পরেও তাঁকে ধরতে নবান্নের সবুজ সঙ্কেতের অপেক্ষায় থাকতে হবে পুলিশকে। আর সেই নির্দেশ না মিললে অধরাই থেকে যাবেন অভিযুক্ত। লোকসভা ভোটের সময় সোনামুখীর বিধায়ক দীপালি সাহা কিংবা মীনাখাঁর বিধায়ক ঊষারানি মণ্ডলের বিরুদ্ধে কমিশনের নির্দেশে এফআইআর দায়ের হলেও পুলিশের নাগালের বাইরেই থেকে গিয়েছিলেন তাঁরা। পরে আদালত থেকে জামিন নেন ওই দুই তৃণমূল বিধায়ক। পুলিশের একাংশ বলছেন, বাহিনীর এখন এমনই অবস্থা যে, শাসক দলের সামান্য এক পঞ্চায়েত সদস্যকে ধরতেও উঁচুতলার নির্দেশ নিতে হচ্ছে! কিন্তু তা-ও যে খুব সহজে মিলছে, তা নয়। কারণ, নিচুতলাকে নির্দেশ দেওয়ার আগে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে নীল-সাদা বাড়ির দিকে।
নবান্নের নথি বলছে, বর্তমান সরকারে এ পর্যন্ত দু’টি পুলিশ খুনের ঘটনা ঘটেছে এবং দু’টিতেই জড়িয়েছে শাসক দলের নেতাদের নাম। গত বছরের গোড়ায় গার্ডেনরিচের হরিমোহন ঘোষ কলেজে মনোনয়নকে কেন্দ্র করে গোলমালের সময় দুষ্কৃতীর গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল কলকাতা পুলিশের সাব-ইনস্পেক্টর তাপস চৌধুরীর। সেই ঘটনায় বিহার থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল কলকাতা পুরসভার ১৫ নম্বর বোরোর তৃণমূল চেয়ারম্যান মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্নাকে। তিনি এখন জামিনে মুক্ত আছেন। কিন্তু বোমার আঘাতে বীরভূমের দুবরাজপুর টাউন থানার ওসি অমিত চক্রবর্তীর মৃত্যুর পরেও অধরা থেকে গিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলিম। দুবরাজপুর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ হওয়ার সুবাদে ওই ঘটনার পরেও আলিমকে এলাকায় ঘুরতে দেখেছিলেন স্থানীয়রা। কিন্তু দেড় মাস পরে যে দিন আহত অমিতবাবুর মৃত্যুর খবর পৌঁছয় দুবরাজপুরে, সে দিনই গা ঢাকা দেন ওই তৃণমূল নেতা। আজও তিনি বেপাত্তা। বেপাত্তা বোলপুর থানায় ঢুকে ডিউটি অফিসারকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত জেলা তৃণমূলের যুব সভাপতি সুদীপ্ত ঘোষও। পুলিশ আছে পুলিশেই!
at 7:49 AM 0 comments
Email ThisBlogThis!Share to XShare to FacebookShare to Pinterest
Labels: administration, crime, democracy, fascism, governance, Mamata Banerjee, police, TMC, West Bengal

Friday, September 5, 2014

Anarchy and lawlessness in Education is what Mamta contributed in West Bengal

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটা-দুটো খারাপ ঘটনাকে বড় করে দেখানো হচ্ছে, সংবাদমাধ্যমকে তোপ মুখ্যমন্ত্রীর

কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, এবিপি আনন্দ
Friday, 05 September 2014 08:09 PM

ফের কার্যত সেই ছোট ঘটনার তত্ত্ব। এবার বিষয়-শিক্ষা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটা-দুটো খারাপ ঘটনা ঘটছে। অথচ শিক্ষা মানেই অশান্তি দেখানো হচ্ছে। শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে এ ভাবেই সংবাদমাধ্যমকে আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
সাম্প্রতিককালে একের পর এক কলেজ ক্যাম্পাসে ধারাবাহিক ভাবে নৈরাজ্যের ছবি দেখেছে রাজ্যবাসী। কোথাও নকলের দাবিতে অধ্যক্ষকে ঘেরাও, কোথাও বিএডে ভর্তি করানোর নামে টাকা তোলা, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ঘরের সামনে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতির বিক্ষোভ, কোথাও আবার, অধ্যক্ষ নিগ্রহ। কিন্তু, এত কিছুর পরও মুখ্যমন্ত্রীর চোখে কিছুই ধরা পড়ছে না! তাঁর চোখে যত দোষ সংবাদমাধ্যমের!
বিরোধীরা কটাক্ষ করে বলছেন, একটা-দুটো বলতে মুখ্যমন্ত্রী কটা বোঝেন, তা তিনিই বলতে পারবেন! কারণ, শিক্ষায় বিশৃঙ্খলার তিন বছরের ছবিটা যদি তালিকার আকারে তুলে ধরা যায়, তাহলে সেটা একটা-দুটো কেন, সেঞ্চুরিও হাঁকাতে পারে! আর রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্র যদি ‘অল ইজ ওয়েল’ই হয়ে থাকে, তাহলে গত ২ সপ্তাহের মধ্যেই কেন একের পর এক অধ্যক্ষকে ইস্তফা দিতে হল? প্রশ্ন বিরোধীদের। সেইসঙ্গে তালিকাটাও হাজির।
ঝাড়গ্রামের মানিকপাড়া বিবেকানন্দ কলেজ, নদিয়ার চাপড়া বাঙালঝি কলেজ, মেদিনীপুর কমার্স কলেজ এবং মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ।
এটা অধ্যক্ষদের পদত্যাগের দু’সপ্তাহের পরিসংখ্যান! এর আগে গেলে এরকম নজির আরও মিলবে। বিরোধীদের আরও প্রশ্ন, শিক্ষাঙ্গনে যদি সত্যিই মুখ্যমন্ত্রীর কথা মতো একটা-দুটো খারাপ ঘটনা ঘটে থাকে, তা হলে কেন বার বার খোদ শিক্ষামন্ত্রীকে ছাত্রদের সংযত হওয়ার বার্তা দিতে হচ্ছে?
তাত্‍পর্যপূর্ণ বিষয় হল, শুক্রবার শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য  ঘেরাও সংস্কৃতি ঠেকাতে অনলাইনে অভিযোগের ওয়েবসাইটের উদ্বোধন করলেন। একটা-দুটো খারাপ ঘটনা ঘটলে কি ঘেরাও ঠেকাতে উপাচার্যের ওয়েবসাইট চালু করতে হত? কিংবা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতির মাথার ওপর বসাতে হত নজরদারি কমিটি?
বিরোধীরা কটাক্ষ করে এও বলছেন, শিক্ষাঙ্গনে অশান্তির ঘটনাকে লঘু করে দেখানোর পরিণাম যে ভাল হয় না, তা বহু আগেই বোঝা উচিত ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের! কারণ, শুরুটাতো হয়েছিল রায়গঞ্জ দিয়ে। সেইসময় তৃণমূল নেতা তিলক চৌধুরীদের যদি মুখ্যমন্ত্রী ছোট ছোট ছেলে-মেয়ে বলে প্রশ্রয় না দিতেন, তাহলে আর পরে হয়ত দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজ কলেজ তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সমর্থকদের হাঙ্গামা, হাবড়া শ্রীচৈতন্য কলেজে অধ্যক্ষের ঘরে ভাঙচুর, কিংবা রায়গঞ্জের সুরেন্দ্রনাথ কলেজ ছাত্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটত না। কলকাতার বুকে খিদিরপুর কলেজের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার সাহস দেখাত না তৃণমূল ছাত্র পরিষদ! এমনটাই দাবি বিরোধীদের। তারওপর, এসবই সাম্প্রতিক ঘটনা! তাই শিক্ষাঙ্গনে বিশৃঙ্খলার পূর্ণাঙ্গ তালিকাটা একবার ঝালিয়ে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যদি সংবাদমাধ্যমকে আক্রমণের পরিবর্তে নৈরাজ্যকারীদের শাসন করে পরিস্থিতিটা বদলাতে সচেষ্ট হন, তাহলেই রাজ্যের মঙ্গল হবে, নইলে বিশৃঙ্খলার তালিকা বেড়েই চলবে বলে ধারণা শিক্ষামহলের একাংশের।

at 2:45 PM 0 comments
Email ThisBlogThis!Share to XShare to FacebookShare to Pinterest
Labels: administration, corruption, education, hypocrisy, Mamata Banerjee, media, TMCP

Saturday, August 30, 2014

Poorest condition of Administration in West Bengal

কলাভবনের ছাত্রীর ‘শ্লীলতাহানি’, অবশেষে চাপের মুখে ৪ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর

গোপাল চট্টোপাধ্যায়, এবিপি আনন্দ
Saturday, 30 August 2014 05:57 PM



বীরভূম: ভিন রাজ্য থেকে আসা কলাভবনের ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে চাপের মুখে এফআইআর করতে বাধ্য হল বিশ্ব‍ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়৷ ৪ জনের বিরুদ্ধে আজ অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ এদের মধ্যে ৩ জন কলাভবনের ছাত্র, ১ জন বহিরাগত৷ ঘটনার তদন্তে বোলপুরের এসডিপিও-র নেতৃত্বে গঠিত তদন্তকারী দল৷।।

বিশ্ব‍ভারতীতে পড়তে এসে ভিন রাজ্যের ছাত্রীর নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্ট করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, এই অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ইতিমধ্যেই৷ তীব্র সমালোচনার মুখে বাধ্য হয়ে অবশেষে অভিযোগ পাওয়ার চারদিন পর এফআইআর দায়ের হল৷ শনিবার বিশ্ব‍ভারতী কর্তৃপক্ষই প্রেস বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্ত কমিটি তৈরি করা হয়৷ ৪৮ ঘণ্টায় তাদের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর কলাভবনের ৩ ছাত্রের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে৷ সাসপেন্ড করা হয়েছে ওই তিন ছাত্রকে৷ সূত্রের খবর, ৩ ছাত্রের পাশাপাশি আরও ১ বহিরাগতের বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ ঘটনার তদন্তে নেমেছে বোলপুরের এসডিপিও সূর্যপ্রতাপ যাদবের  নেতৃত্বে গঠিত তদন্তকারী দল৷।
ঘটনার প্রতিবাদে এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন ছাত্রছাত্রীরা৷ তাঁদের দাবি, বিশ্ব‍ভারতীতে পডুয়াদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে৷ পাশাপাশি শাস্তি দিতে হবে দোষীদের৷

সিকিম থেকে বিশ্ব‍ভারতীর কলাভবনে পড়তে এসেছিলেন অভিযোগকারিণী ছাত্রী৷ তাঁর দাবি, মেস খুঁজে দেওয়ার নাম করে কয়েকদিন আগে তাঁকে পূর্বপল্লির একটি বাড়িতে নিয়ে যায় কলাভবনের ৩ সিনিয়র ছাত্র৷ সেখানে তাঁর সঙ্গে অশালীন আচরণ করে তারা৷ ছবি তুলে রাখা হয় মোবাইলে। অভিযোগ, সেই ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেল করতে থাকে ওই ছাত্রেরা৷
গোটা ঘটনা নয়া মাত্রা পায় শুক্রবার৷ বিশ্ব‍ভারতী কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে৷ ছাত্রীর বাবা অভিযোগ করেন, পুলিশ ও সংবাদমাধ্যমকে ঘটনার কথা না জানাতে চাপ দিচ্ছে বিশ্ব‍বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। খবর প্রকাশ্যে আসার পর পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে না দিয়ে ওই ছাত্রী এবং তাঁর বাবাকে কার্যত নজরবন্দি করে বাড়ি ফেরার ট্রেনে তুলে দেয় বিশ্ব‍ভারতী কর্তৃপক্ষ৷। ঘটনার জেরে প্রশ্ন ওঠে বিশ্ব‍ভারতীর ভূমিকা নিয়ে৷ অবশেষে বাধ্য হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার ২৪ ঘণ্টা পর এফআইআর দায়ের করলেও  প্রশ্ন উঠছে, ছাত্রীটি তো অভিযোগ জানিয়েছেন ২৬ তারিখ৷ তাহলে থানায় এফআইআর করতে কর্তৃপক্ষের কেন চারদিন সময় লেগে গেল? কেন ছাত্রীকে ফিরতি ট্রেনে তুলে দেওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর দায়ের করা হল অভিযোগ?
at 8:50 AM 0 comments
Email ThisBlogThis!Share to XShare to FacebookShare to Pinterest
Labels: administration, culture, governance, Mamata Banerjee, West Bengal
Older Posts Home
Subscribe to: Posts (Atom)
A USWGO Ally

Are You Concerned?

This Website is trying to collect and publish news/articles from different newspapers magazines which affects millions of Indians by corrupt,vindictive,partisan,bias acts and actions of different Govt. and administrative authorities. By no means this website publish any article/news with malicious intention or malign any person or authorities. All the news/articles published here are collected from different sources which are duly acknowledged through corresponding links inside the matter.
If you are an Indian and concerned about India, Tell Us. We will try to reach your voice to millions of viewers and try to solve your concern. Contact us by leaving your comment with email address below in the comment box.

Most Liked

  • Naked Partisan mind of fake Bengali Intellectuals
    Mamata-backed intellectuals defends her stance in Park Street rape By Ajanta Chakraborty, TNN | Dec 26, 2012, 12.37 PM ...
  • Spineless Bengal Bureaucrats for the first time defy Minister's order! Change of Rulers, foreseen?
    Thursday , November 27 , 2014 Rare sighting: glint of a spine PRANESH SARKAR THOSE WERE THE DAYS Minister Amit Mitra and severa...
  • Mahima Khanna's Cambridge Honours brought back Kolkata's pride
    A 23-year-old from Kolkata, who works as a trade analyst in Mumbai, has become only the third Indian after Amartya Sen and Sir Partho Dasg...
  • Mamata's vindictive politics over patient care push Bengal people to poor health care
    Norway may pull out of SSKM project By Sumati Yengkhom , TNN | Feb 22, 2013, 02.20 AM IST KOLKATA: Barely four months after th...
  • A glimpse of "Honest" Mamata
    Mamata Banerjee who often described as single-handedly ended the over 3 decade rules of a democratically elected Left Government in West Be...
  • মমতার নিজের পুলিশে আস্থা নেই, পাশে চান দিল্লিকেই
    নিজের পুলিশে আস্থা নেই, পাশে চান দিল্লিকেই   (সৌজন্য - আনন্দবাজার পত্রিকা) জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় কলকাতা, ৩১ অক্টোবর, ২০১৪ ...
  • Intellectuals of Kolkata organised a rally to Save the Saradha thieves, by Mamta's order!
    Thursday , November 27 , 2014   For thieves, steal a march OUR BUREAU 1950s:   Ensure food security. 1960s:  Express solidarity...
  • মমতা কি ভাবে ক্ষমতায় এল?
    মমতা কি ভাবে ক্ষমতায় এল?  Pranab Mukherjee and Mamta West Bengal Governor Gopal Gandhi and Mamta discuss Singur Strategy a...
  • Mamta party TMC involved in Burdwan Blast case!
    IM men killed making IEDs in Trinamool leader's house Debajyoti Chakraborty ,TNN  |  Oct 5, 2014, 04.58 AM IST (Courtesy: Times Of...
  • Major scam and misuse of public money by Mamta party run Kolkata Municipal Corporation
    Nothing fair about Kolkata Municipal Corporation trident ‘fair rate’ Saikat Ray, TNN Oct 4, 2012, 01.26AM IST KOLKATA: Trid...

Blog Archive

  • November (15)
  • October (54)
  • September (66)
  • August (66)
  • February (32)
  • January (14)
  • December (14)
  • November (85)
  • October (13)

Must See

  • !ncredible !ndia
    Spineless Bengal Bureaucrats for the first time defy Minister's order! Change of Rulers, foreseen? - [image: The Telegraph] Thursday , November 27 , 2014 Rare sighting: glint of a spine PRANESH SARKAR THOSE WERE THE DAYS Minister Amit Mitra and several s...
  • Anna Hazare Says
    This Blog Has Been Closed ! - This Blog Has Been Closed !

Followers

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
Simple theme. Powered by Blogger.