Showing posts with label Partha Chatterjee. Show all posts
Showing posts with label Partha Chatterjee. Show all posts

Tuesday, November 4, 2014

Extortion and Violence are TMC identities




মন্ত্রী কড়া বার্তা দিচ্ছেন বারংবার। নেতৃত্ব বদল হচ্ছে। তবু রোগ সারার লক্ষণ নেই। সোমবার আরও এক বার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে নৈরাজ্য তৈরি করে দিয়ে গেল শাসক দলের ছাত্র সংগঠন।
ক্যাম্পাসে ঢুকে ছাত্র নেতারা সব রকম নিয়মনীতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শোরগোল করলেন। স্লোগান দিলেন, বিক্ষোভ দেখালেন। এক সময় হুড়মুড় করে ঢুকে পড়লেন উপাচার্যের ঘরেও।
অথচ শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কড়া বার্তা ছিল, যখন তখন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বহিরাগতরা ঢুকতে পারবেন না। ছাত্রছাত্রীদের দাবি-দাওয়া থাকলে কর্তৃপক্ষের আগাম অনুমতি নিতে হবে এবং শুধুমাত্র পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদলই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রীর কথার তোয়াক্কা যে অন্তত তাঁর দলের ছাত্র সংগঠন করে না, এ দিন সেটাই আরও এক বার প্রমাণ হয়ে গেল। পার্থবাবু এ দিন সরাসরিই বলেন, কাজটা ভাল হয়নি।
গত জুলাই মাসে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তৎকালীন রাজ্য সভাপতি শঙ্কুদেব পন্ডার নেতৃত্বে সংগঠনের একটি মিছিল সটান উঠে গিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট রুমের বাইরে। তখন সিন্ডিকেটের বৈঠক চলছিল। সিন্ডিকেটের সদস্যদের ভিতরে আটকে রেখে দীর্ঘক্ষণ স্লোগান দিয়েছিলেন ছাত্র নেতারা। এর পরপরই রাজাবাজার বিজ্ঞান কলেজে শারীরবিদ্যা বিভাগে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বিরুদ্ধে। তখনও ছাত্র সংগঠনের নেতাদের সংযত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। শঙ্কুদেব পন্ডা তখন দাবি করেছিলেন, শিক্ষামন্ত্রী যা বলেছেন তা অন্য দলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সেই নেতৃত্বে বদল এসেছে। শঙ্কুদেবের পরিবর্তে এখন সভাপতি হয়েছেন অশোক রুদ্র। কিন্তু সোমবারের ঘটনা দেখাল সংগঠনের নেতা-কর্মীদের চালচলনে কোনও পরিবর্তন হয়নি। যদিও নতুন সভাপতি নিজে এ দিনের আন্দোলনে উপস্থিত ছিলেন না।
এ দিন দুপুরের পর থেকে ক্লাস চলাকালীনই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসে জড়ো হচ্ছিলেন আটটি ক্যাম্পাসের ছাত্রনেতা এবং কয়েকটি হস্টেলের আবাসিক ছাত্রছাত্রীরা। এঁদের মধ্যে ছিলেন টিএমসিপি নেতা সুজিত শাম, সৌরভ অধিকারী। ছাত্র নেতাদের সঙ্গেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন ক্রিক রো অঞ্চলের তৃণমূল নেতা চিনু হাজরা। তবে কিছুক্ষণ পরে তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে যান। পুরো দলটি প্রথমে কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসে ঢুকে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে মিছিল করেন। তার পর সওয়া তিনটে নাগাদ স্লোগান দিতে দিতে দ্বারভাঙা ভবনের ভিতরে ঢুকে সেনেট হলের বাইরে বসে পড়েন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি ক্যাম্পাসেই বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। গত এক বছর ধরে বারবার বলা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। তাই এ দিন তাঁরা নিজেদের দাবি জানাতে এসেছেন। তাঁদের দাবি ছিল, অবিলম্বে সাংবাদিক বিভাগের প্রধান পদে এবং অন্যান্য বিভাগের শূন্য পদগুলিতে শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে। ক্যান্টিনে খাবারের মান উন্নয়ন, নিয়মিত বাথরুম সাফাই, কমন রুম সারানো, হস্টেলে পর্যাপ্ত জলের ব্যবস্থা করতে হবে।
প্রায় এক ঘণ্টা ধরে এই বিক্ষোভ এবং স্লোগান চলার পর আচমকা কয়েক জন ছাত্রনেতা উপাচার্যের সেক্রেটারির ঘরে ঢুকে পড়েন এবং পরে উপাচার্যের ঘরেও চলে যান। সংখ্যায় তাঁরা ছিলেন ১৫ জনেরও বেশি। প্রায় ঘণ্টাখানেক কথাবার্তার পর সাড়ে ৫টা নাগাদ বিক্ষোভকারী দলটি উপাচার্যের ঘর থেকে বেরিয়ে আসে। তাঁদের এ হেন আচরণে শিক্ষামন্ত্রী যথেষ্ট ক্ষুব্ধ। তিনি বলেন, বারবার নির্দেশ দেওয়ার পরেও ছাত্র সংগঠনের এই উচ্ছ্ৃঙ্খল আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। পার্থবাবুর কথায়, “এ দিনের কাজটি ছাত্রছাত্রীরা ভাল করেনি। এ বার আমি উপাচার্য সুরঞ্জন দাসকে ব্যবস্থা নিতে বলব।”
সুরঞ্জনবাবু বরাবর ছাত্রবৎসল বলেই পরিচিত। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তী যেমন পুলিশ ডেকে ছাত্রদের মার খাইয়েছিলেন, সুরঞ্জনবাবু তা কোনও দিনই করেননি। রাজাবাজার বিজ্ঞান কলেজে টিএমসিপির তাণ্ডবের সময় ভীত ছাত্রছাত্রীরা তাঁকে ঘিরে ধরে বলেছিলেন, এমন চলতে থাকলে অভিভাবকরা আর কলেজে আসতে দেবেন না। উপাচার্য নিজে পরিচয়পত্র দেখে দেখে বহিরাগতদের আটকে পড়ুয়াদের নিরাপদে কলেজে ঢোকার ব্যবস্থা করেছিলেন। সেই সুরঞ্জনবাবু এ দিনও বলেন, ছাত্রছাত্রীদের গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে দাবি জানানোর। তাঁদের বেশ কিছু দাবি ন্যায়সঙ্গতও বটে। তিনি নিজে সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হবেন। “কিন্তু আগে থেকে কিছু না জানিয়ে আচমকা এসে যে ভাবে হইচই করে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করা হলো, সেটা বাঞ্ছনীয় ছিল না।”
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন এই অশান্তি চলছে, তখনই বিধানসভায় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শান্তিরক্ষার আবেদন নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত ছিল শিক্ষক সংগঠন ওয়েবকুটা। রাজাবাজার বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষিকা রোশেনারা মিশ্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন বা বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজে শিক্ষিকাকে মারধরের ঘটনার কথা জানিয়ে নিজেদের নিরাপত্তাহীনতার কথাই শিক্ষামন্ত্রীকে জানিয়েছেন ওয়েবকুটা নেতৃত্ব। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শ্রুতিনাথ প্রহরাজ বলেন, “আমরা লিখিত ভাবে শিক্ষামন্ত্রীকে জানিয়েছি, ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে যে রকম হিংসা-হানাহানি চলছে, তাতে শিক্ষক-শিক্ষিকারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।” কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে এই আবহের কথা শিক্ষামন্ত্রী খুব ভালই জানেন। এর আগে তিনি নিজেই উপাচার্য-অধ্যক্ষদের কড়া হাতে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু যেখানে শাসক দলের ছাত্রনেতারাই যখন তখন সদলবলে চোখ রাঙিয়ে যাচ্ছেন, তখন কোনও অধ্যক্ষ বা উপাচার্য একা কী করবেন, সে প্রশ্ন তখনই উঠেছিল। এ দিনও পার্থবাবু বলেন, “আমি ওঁদের পেশাগত এবং প্রশাসনিক সমস্যার কথা শুনেছি। সমস্যা সমাধানে যতটা সম্ভব চেষ্টা করব।”



এবিপি আনন্দ ওয়েব ডেস্ক  Tuesday, 04 November 2014


তোলা তুলছেন দলীয় নেতাদের একাংশ। চাঞ্চল্যকর খোলসা তৃণমূলের পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়ের। বললেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে জেলা নেতৃত্ব সবাইকে এবিষয়ে জানানো হয়েছে। যদিও, তৃণমূলের জেলা সভাপতির সাফাই, তোলাবাজির কোনও অভিযোগ তাঁর কাছে আসেনি।
শিশির অধিকারীর বক্তব্যের রেশ এখনও কাটেনি। তার মধ্যেই এবার দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগে সরব পূর্বস্থলী উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়। ১৯ অক্টোবর মন্তেশ্বরে তৃণমূলের কর্মিসভায়, তিনি বলেন, দলের কিছু নেতা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তোলা আদায় করছে।
দলের একাংশের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ থেকে যে তিনি একচুলও সরেননি, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক। উল্টে সুর আরও চড়িয়ে তাঁর প্রশ্ন, জোর করে চাঁদা আদায়ের নামে কেউ যদি টাকা তোলেন, তাহলে সেটাকে কী বলব?
তৃণমূল বিধায়ক যে মঞ্চ থেকে দলের একাংশ তোলাবাজি করছে বলে সরব, তখন মঞ্চে উপস্থিত রাজ্যের মন্ত্রী তথা বর্ধমান জেলা গ্রামীণ তৃণমূলের সভাপতি স্বপন দেবনাথও। মঞ্চে বসে দলীয় বিধায়কের এই চাঞ্চল্যকর  খোলসার কথা শুনলেও এখন তাঁর সাফাই, তোলাবাজির কোনও অভিযোগ এখনও তিনি পাননি।

দলীয় নেতাদের একাংশ তোলাবাজির সঙ্গে যুক্ত বলে দিন কয়েক আগেই সরব হয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ শিশির অধিকারীও।  কিন্তু, সাংসদ দলের একাংশের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগে সরব হোন কিংবা বিধায়ক...এখনও পর্যন্ত তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব কোনও কড়া পদক্ষেপ করছে বা কারোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে, এমনটা শোনা যায়নি। উল্টে, সংবাদমাধ্যমে মুখ খোলার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেই কাজ সেরেছে দল। যা বিরোধীদের হাতে তুলে দিয়েছে হাতিয়ার। তাদের কটাক্ষ, যাঁরাই তোলাবাজির বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন, তাঁদের সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলতে নিষেধ করে আসলে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছে তৃণমূল।

ক্ষমতার স্বার্থে মমতা দেশের নিরাপত্তা নিয়ে খেলছে

Saturday, September 13, 2014

Bengal Minister Partha also involved in Sardha Chit Fund scam

ফের বিস্ফোরক কুণাল, এবার নিশানায় চন্দ্রিমা, কৃষ্ণা



কলকাতা: ফের বিবৃতিতে বিস্ফোরক কুণাল ঘোষ। সারদাকাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীর পর তাঁর নিশানায় এবার কৃষ্ণা-চন্দ্রিমা।

সারদাকাণ্ডে তদন্তের মাঝপথে সিবিআই দফতরে ধর্না শুরু করেছেন তৃণমূলের মহিলা কর্মীরা। নিজের বিবৃতিতে এবার সেই প্রসঙ্গ টেনে ফের বোমা ফাটালেন তৃণমূলের এই সাসপেন্ডেড সাংসদ। সেইসঙ্গে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য-কৃষ্ণা চক্রবর্তীর মতো যে তৃণমূল নেত্রীদের ধর্নায় নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধেও তুললেন গুরুতর অভিযোগ। বিবৃতিতে কুণালের দাবি, রাজ্যের আইনমন্ত্রী স্বয়ং যেভাবে রাস্তায় নেমেছেন, তদন্ত প্রভাবিত হতে পারে।
তৃণমূলের বিক্ষোভে সামনের সারিতে দেখা গিয়েছে বিধাননগর পুরসভার চেয়ারপার্সন কৃষ্ণা চক্রবর্তীকেও। সেই প্রসঙ্গ টেনে বিবৃতিতে কুণালের চাঞ্চল্যকর দাবি, সিবিআই দফতরের সামনে যাঁরা বিক্ষোভ করছেন, তার মধ্যে কৃষ্ণা চক্রবর্তী তাঁর বিধাননগর পুরসভার চলচ্চিত্রোৎসবের নৈশভোজ আয়োজনে সুদীপ্ত সেনের স্পনসরশিপ নিয়েছিলেন। গোটা শহরে যে হোর্ডিং ছিল, তার অনেকটাই সারদার খরচে। কৃষ্ণাদেবীর স্বামী সমীর চক্রবর্তীকে কিছু বিষয়ে সিবিআই প্রশ্ন করেছে। এসব ঠেকাতে তিনি বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন।
কুণালের আরও দাবি, কোনও বেসরকারি কোম্পানি অসৎ না জানা পর্যন্ত সেখানে চাকরি বা বিজ্ঞাপন নেওয়া (আয়কর দিয়ে) দোষের হতে পারে না। অথচ আমাকে এজন্য মাসের পর মাস বন্দি রাখা হল। কৃষ্ণা চক্রবর্তীরা তাহলে একই অভিযোগে অভিযুক্ত হবেন না কেন? কুণালের দাবি প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া নেওয়ার জন্য কৃষ্ণা চক্রবর্তীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও, তিনি ফোন ধরেননি।
বিবৃতিতে ফের পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দিকেও আঙুল তুলেছেন কুণাল। তাঁর দাবি,  পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁর নিজস্ব একটি কর্মসূচিতে (সরকারি নয়/যেখানে পার্থবাবু চেয়ারম্যান) কর্পোরেট পার্টনার হিসেবে এমপিএস, আইকোর, টাওয়ার সহ বহু চিটফান্ডের অর্থসাহায্য নিয়েছেন। ... যিনি নিজের কাজে/কর্মসূচিতে বহু চিটফান্ডের টাকা নেন, তিনি কেন চিটফান্ডের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে অভিযুক্ত হবেন না?
শুক্রবার আলিপুর আদালতেও ২০১২ সালের একটি দুর্গাপুজোর কার্ড বের করে কুণাল বলেন, কার্ডটি দেখুন। কার্ডে সারিবদ্ধভাবে চিটফান্ড সংস্থার নাম রয়েছে। পুজোর কর্পোরেট পার্টনার হিসেবে তাদের দেখানো হয়েছে। পুজো কমিটির প্রধান পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবে সেই পুজো কমিটি অবশ্য শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশেই দাঁড়িয়েছে।


বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালতে তৃণমূল নেতা রজত মজুমদার দাবি করেন, সুদীপ্ত সেন তাঁর হাত দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মুকুল রায়ের কাছে টাকা পাঠাতেন বলে কুণাল সিবিআইকে জানিয়েছেন। কিন্তু বিবৃতিতে কুণালের দাবি, সিবিআই কর্তারা সাক্ষী এই প্রসঙ্গটিতে মমতার নাম উল্লেখ পর্যন্ত হয়নি। রজতদা কেন বললেন, বুঝলাম না।
বৃহস্পতিবারই স্বামী বিবেকানন্দের শিকাগো বক্তৃতার উদযাপন-মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “স্বামীজিকেও অনেক সমালোচনা, অনেক বিতর্ক, অনেক কষ্ট, বুকে ব্যথা সহ্য করে লক্ষ্যে পৌঁছতে হয়েছিল।’’ সরাসরি কারও নাম না করলেও কুণালের বিবৃতির শেষ অংশ,  স্বামী বিবেকানন্দ অনেক সমালোচনা সহ্য করে বুকে ব্যথা নিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছোন। কেউ আবার সমালোচনা এবং বুকের ব্যথা অন্যকে দিয়ে নিজে লক্ষ্যে পৌঁছোন!


************************************************


,    ,   


          



 , :    ‘’                                       ,       ,         ,                       ,              
                                 ,           ,           ,     
             ,                                           ,      ?          ,      ,      ?     ?                    -        ,  ,  ,        ,                   ,                    ,          ,                             ,    ,      ,              ,                      ?
               ,                ,  ,         ,      ?        ’-      ,        ?                      
        ,             ,                    ,                       ,            ,                                                        ,                                




Sunday, September 7, 2014

Kunal reveals Mamta as biggest beneficiary in Sardha scam (video)

Kunal Ghosh's explosive claim about Mamata and Saradha scam



Kunal Ghosh attacks Partha Chatterjee openly, asked him to face interrogation



সারদাকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা অনেক বেশি, সিঙ্গুর আন্দোলন রাজ্যে পরিবর্তন আনলে সারদা নয় কেন,প্রশ্ন অমিত শাহ-র



সিঙ্গুরে মাত্র হাজার খানেক মানুষের হয়ে আন্দোলন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি রাজ্যে পালাবদল করতে পারেন,  তা হলে কেন সারদা-কেলেঙ্কারিতে ক্ষতিগ্রস্ত সতেরো লক্ষ মানুষের হয়ে লড়াই করে তাঁরা পালাবদল করতে পারবে না?
লোকসভা ভোটের আগে সারদাকে হাতিয়ার করেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। ২০১৬-র বিধানসভা ভোটেও বিজেপি যে সেই সারদা অস্ত্রেই তৃণমূল সরকারকে বিঁধতে চায়, কলকাতায় এসে বিজেপির রাজ্য কমিটির বৈঠকে সে বার্তাই স্পষ্ট করে দিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। ২০১৬র বিধানসভা ভোট পরিবর্তনের ডাক দিয়ে, দলের নেতা-কর্মীদের চাঙ্গা করতে তাঁর প্রশ্ন,
সিঙ্গুরে মাত্র হাজার খানেক মানুষের হয়ে আন্দোলন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি রাজ্যে পালাবদল করতে পারেন,  তা হলে কেন সারদা-কেলেঙ্কারিতে ক্ষতিগ্রস্ত সতেরো লক্ষ মানুষের হয়ে লড়াই করে তাঁরা পালাবদল করতে পারবে না?
সারদাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই তৃণমূলের একাধিক সাংসদ, মন্ত্রী, নেতাকে ডেকে জেরা করেছে সিবিআই-ইডি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন রেল মন্ত্রকের অধীনস্থ আইআরসিটসির সঙ্গে সারদার গাঁটছড়া বাঁধা ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। সারদা ও মমতা নিয়ে তৃণমূলেরই সাসপেন্ডেড সাংসদ কুণাল ঘোষের চাঞ্চল্যকর দাবি শাসকের অন্দরমহলেই শোরগোল ফেলে দিয়েছে। বিরোধীরা একসুরে মুখ্যন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সরব। আর এই পরিস্থিতিকেই রাজনৈতিক ভাবে অস্ত্র করতে চাইছেন অমিত শাহ। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বকে তাঁর বার্তা,
সারদাকাণ্ড সুবর্ণসুযোগ এনে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এক ইঞ্চি জমি ছাড়া যাবে না। প্রয়োজনে রক্তক্ষয়ী লড়াই লড়তে হবে। এর জন্য যাঁরা প্রস্তুত, তাঁরা এক জায়গায় আসুক। আমি জানি কীভাবে লড়ে জিততে হয়। আমি নিজে তা করে দেখিয়েছি।
২০১৬র বিধানসভা ভোটকে পাখির চোখ করে এখন থেকেই রাজ্যর বিজেপি নেতা-কর্মীদের ঝাপিয়ে পড়ার ডাক দেন অমিত শাহ। ঠিক করে দিয়েছেন আন্দোলনের রূপরেখাও। নারী নির্যাতন ও তৃণমূলের হয়ে পুলিশের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে এ মাস থেকেই পথে নামছে বিজেপি।
পুজোর ক’টা দিন বাদ দিয়ে, ১২ সেপ্টম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত টানা আন্দোলন করবে বিজেপি। রাজ্য জুড়ে চলবে থানা ঘেরাও কর্মসূচি। দ্বিতীয় ধাপের আন্দোলনের রূপরেখা ঠিক করবে তিন সদস্যর কমিটি। কমিটিতে থাকবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাহুল সিংহ, সাংসদ সুরেন্দ্র সিংহ অহলুওয়ালিয়া এবং দলের কেন্দ্রীয় নেতা সিদ্ধার্থনাথ সিংহ। তাঁরা আবার পাঁচ সদস্যের কমিটি গড়বেন। এই কমিটি প্রথম ধাপের আন্দোলনের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে রিপোর্ট দেবে তিন সদস্যের কমিটিকে। তারপর চূড়ান্ত হবে দ্বিতীয় ধাপের আন্দোলনের রণকৌশল।
সবদিক খতিয়ে দেখে তিন সদস্যর কমিটিকে রিপোর্ট দেবে। সেই রিপোর্টর ভিত্তিতে আগামী দিনে আন্দোলনের রূপরেখা ঠিক করবে বিজেপির তিন সদস্যর কমিটি। 
এবারের লোকসভা ভোটে উত্তরপ্রদেশের দায়িত্ব নরেন্দ্র মোদি দিয়েছিলেন তাঁর প্রধান সেনাপতি অমিত শাহকে। উত্তরপ্রদেশে ৮০টি আসনের মধ্যে বিজেপি একাই ৭১টি আসন পেয়েছে। যা দেখে অমিত শাহের মাথায় ম্যান অফ দ্য ম্যাচের শিরোপা তুলে দিয়েছেন খোদ মোদি। সেই অমিত শাহের হাত ধরেই এবার পশ্চিমবঙ্গে পদ্মফুল ফোটানোর স্বপ্ন দেখছে বিজেপি।

                

         মমতা-সারদা যোগের খুঁটিনাটি জানতে কুণালকে চায় সিবিআই

                

                 The 'Maha Loot' of West Bengal