Showing posts with label West Bengal. Show all posts
Showing posts with label West Bengal. Show all posts

Friday, August 29, 2014

Madan Mitra praised and promoted Saradha Ponzi scheme


Madan Mitra trusted minister and one of the closest sycophants of Mamta , West Bengal CM, praised for Saradha group and promote their business to loot poor people 


Thursday, August 28, 2014

Now teachers' honors are in danger in West Bengal

নৈরাজ্য রুখতে বার্তা নেই মমতার, উজ্জীবিত শঙ্কুরা

নিজস্ব সংবাদদাতা

কলকাতা, ২৯ অগস্ট, ২০১৪, ০৪:০৭:০৮

(সৌজন্য - আনন্দবাজার পত্রিকা)
মঞ্চ প্রস্তুত ছিল। ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই যিনি শিক্ষক-উপাচার্যদের কাছে হাত জোড় করে অনুরোধ করেছেন, চাপের কাছে মাথানত করবেন না। সরকার তাঁদের সঙ্গে আছে। ছিলেন শঙ্কুদেব পণ্ডা। শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের যে দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতার দাপটে শিক্ষক-উপাচার্যেরা নিরন্তর ‘চাপে’ থাকেন! ছিলেন কলেজে কলেজে শাসক দলের সংগঠন করা হাজার হাজার শিক্ষার্থী। অথচ মঞ্চের প্রধান চরিত্রই চিত্রনাট্য গুলিয়ে ফেললেন!
রাজ্যের শিক্ষা ক্ষেত্র জুড়ে দৈনন্দিন নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সম্পর্কে একটি শব্দও খরচ করলেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের ছাত্র সংগঠন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (টিএমসিপি)-র বাৎসরিক সমাবেশে ছাত্র নেতৃত্বকে সতর্ক করা দূরের কথা, সংযত হওয়ার বার্তাটুকুও দিলেন না শাসক দলের সর্বময় নেত্রী। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সম্মান করা উচিত, এই আপ্তবাক্য অবশ্য তাঁর বক্তব্যে ছিল। কিন্তু একই সঙ্গে ছিল এই কথাও “১৮ বছর বয়সে প্রাণশক্তি, উদ্দীপনা, উচ্ছ্বলতা বেশি থাকে এবং তা ছোট করে দেখা ঠিক নয়।” মুখ্যমন্ত্রীর এমন মন্তব্যে তরুণ ছাত্র নেতৃত্বের কাজকর্মের প্রতি কোনও প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় থাকল কি না, পরিস্থিতি বিচারে স্বভাবতই উঠে গিয়েছে সেই প্রশ্ন! প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে, যখন দলনেত্রীর বক্তব্যের পরে বৃহস্পতিবার টিএমসিপি-র রাজ্য সভাপতি শঙ্কুদেব বলেছেন, “মুখ্যমন্ত্রীর কথা শুনে বুঝলাম, কুৎসা করে টিএমসিপি-কে আটকানো যাবে না!”
শিক্ষাঙ্গনে প্রায় প্রতিদিনের ধারা মেনে বৃহস্পতিবারও পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরে শিক্ষকদের তালাবন্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে টিএমসিপি-র বিরুদ্ধে। কোচবিহারের পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষায় অনিয়মের জেরে নিয়োগের গোটা প্যানেল বাতিল করতে হয়েছে। সেখানেও স্বজনপোষণে অভিযুক্ত তৃণমূলের বিধায়ক। ছাত্র সংগঠনের দাপটে জেরবার শিক্ষক-অধ্যাপকদের কারও না কারও প্রায় রোজই পদত্যাগ করতে চাওয়ার ইচ্ছা তো আছেই। রাজ্যের শিক্ষা ক্ষেত্রে ঘটে চলা এ সব কোনও ঘটনারই প্রতিফলন কলকাতা ময়দানে গাঁধী মূর্তির পাদদেশে শাসক দলের ছাত্র সমাবেশে পড়ল না!

কংগ্রেসের ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে এ দিনই সবংয়ে দলের বর্ষীয়ান নেতা মানস ভুঁইয়া প্রশ্ন তুলেছেন, “শিক্ষামন্ত্রী বদলে গিয়ে ব্রাত্য থেকে পার্থ হলেন। কিন্তু শিক্ষক-অধ্যাপকেরা রক্তাক্ত হচ্ছেন, আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। এই পরিবর্তন কি আমরা আনতে চেয়েছিলাম? শিক্ষা ক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রণ কি এখন শাসক দলের ছাত্র নেতাদের হাতে?” ঠিক এই প্রশ্নেরই জবাব এ দিন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রত্যাশা করেছিল শিক্ষা জগৎ। বাস্তবে তাঁর কাছ থেকে উত্তর তো নয়ই, শিক্ষক বা ছাত্রদের কাছে শিক্ষামন্ত্রীর মতো আবেদনটুকুও মুখ্যমন্ত্রীর কণ্ঠে শোনা গেল না!
ছাত্র সংগঠনকে সংযত করার কোনও বার্তাই না দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী বরং উপদেশ দিলেন, তাঁর সরকার ও দলের বিরুদ্ধে যাবতীয় কুৎসা ও অপপ্রচারের জবাব দিতে ছাত্র-ছাত্রীদের সোস্যাল নেটওয়ার্কে আরও সক্রিয় হতে হবে! ‘অপপ্রচারে’র জবাব দেওয়ার জন্য ছাত্র-সমাবেশের মঞ্চকেই বেছে নিয়ে খোদ মুখ্যমন্ত্রী সেখানে জানিয়েছেন, তাঁর সিঙ্গাপুর সফরে শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীরা নিজেদের খরচে গিয়েছিলেন। এ নিয়ে প্রশ্ন তোলা অর্থহীন।
মুখ্যমন্ত্রীর এই ‘নীরবতা’কে চোরকে চুরি করা এবং গৃহস্থকে সতর্ক থাকতে বলার কৌশল হিসাবেই ব্যাখ্যা করছেন সিপিএম সাংসদ মহম্মদ সেলিম। তাঁর কথায়, “বেশির ভাগ সময় কিছু ঘটলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন তুচ্ছ ঘটনা। আর এ বার শিক্ষাক্ষেত্রে কিছু ঘটছে বলেই স্বীকার করলেন না! এতে বোঝা যায়, যাঁরা শাসক দলের ছাত্র সংগঠন করছেন এবং যাঁরা সংগঠন চালাচ্ছেন, তাঁরা এটাই চান!”
সাম্প্রতিক ঘটনাবলির প্রেক্ষিতে ছাত্র নেতাদের হুঁশিয়ারি না দিলেও মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য এ দিন বোঝাতে চেয়েছেন, কলেজে কলেজে ছাত্র-অশান্তি এখন আগের চেয়ে অনেক কম। তাঁর বক্তব্য, “যোগমায়া দেবী কলেজে যখন ছাত্র পরিষদের ইউনিট খুলেছিলাম, তখন একটা দিনও যেত না যে দিন এসইউসি-র মেয়েরা এসে আমাদের মারত না! বা সিপিএম অশান্তি করত না। কিন্তু এখন গণ্ডগোল অনেক কম।” বিরোধীরা বলছেন, ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষ নিয়মিত ঘটছে না ঠিকই। তা বলে শিক্ষাঙ্গন সমস্যামুক্ত, তা তো নয়! মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনেককেই হতাশ করেছে বুঝে শাসক দলের এক প্রথম সারির নেতাও মেনে নিচ্ছেন, “দিদি সে ভাবে শিক্ষার মধ্যে ঢুকলেন না! অন্য রাজনীতির কথাই যেন বেশি হয়ে গেল!”
মুখ্যমন্ত্রী এ দিন বেশি আক্রমণ করেছেন সিপিএমের ‘উচ্ছিষ্ট’ ও বিজেপি-র ‘ভৈরব বাহিনী’কে। শাসক দল ও তার ছাত্র সংগঠনের সমালোচকদের ‘নিরপেক্ষ নয়, কুৎসাপক্ষ’ বলে এক হাত নিয়েছেন!
আগের দিনের মতো না হলেও শিক্ষামন্ত্রী পার্থবাবু তবু কিছুটা শিক্ষা ক্ষেত্রে ঢুকেছিলেন তাঁর বক্তব্যে। পার্থবাবু এ দিন বলেছেন, “আমরা যখন কলেজে-বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগঠনের বার্তা প্রচার করব, তখন খেয়াল রাখতে হবে সেই প্রতিষ্ঠানের পঠনপাঠন, নিয়মানুবর্তিতা, সর্বাঙ্গীন উন্নতির উপরে। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের প্রচার করতে হবে, রাজ্যের মেধা রাজ্যেই রাখব।” সরকারের ভাল কাজের খতিয়ান দিয়ে পার্থবাবু বলেন, “এমন কিছু করব না, যাতে শত্রুরা ভাল কাজগুলিকে চাপা দিতে পারে।”
প্রদেশ কংগ্রেস নেতারা এ দিনই ফের অভিযোগ করেছেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মহাজাতি সদনের সামনে মঞ্চ বেঁধে ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের সভায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী অভিযোগ করেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে স্টক এক্সেচেঞ্জে পরিণত করেছে! এখন টাকা দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানো হয়।” দলের সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্যের দাবি, সিপিএম আমলে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট থেকে রাজ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রিত হত। এখন তপসিয়ার তৃণমূল ভবন থেকে তা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে অবিলম্বে ছাত্র পরিষদকে আন্দোলনের প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেন নেতারা।
তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গাঁধীমূর্তির সমাবেশে মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য এ সব প্রসঙ্গে যাননি। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দমতো ছাত্রভর্তি বা টোকাটুকির দাবিতে, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদ জানাতে টিএমসিপি-র জঙ্গি পথ কী সমস্যা তৈরি করছে, তা মুখ্যমন্ত্রীর অজানা নয়।
শিক্ষামন্ত্রী তো বটেই, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মুকুল রায়ও এর আগে টিএমসিপি-কে সংযত থাকার বার্তা দিয়েছেন। টিএমসিপি-র জন্য তৃণমূল ক্ষমতায় আসেনি, তাই তাদের জন্য দল কেন বিড়ম্বনায় পড়বে, সেই প্রশ্নও দলের বৈঠকে তুলেছিলেন মুকুলবাবু।
অথচ এ দিন ছাত্র সমাবেশের মঞ্চে মমতা বলেছেন, “সিপিএমের হার্মাদ বাহিনী বিজেপি-র ভৈরব বাহিনীর সঙ্গে মিলে গুন্ডামি করে বেড়াচ্ছে। যারা উচ্ছিষ্টের দল, তাদের উচ্ছিষ্ট করতে দিন! আমরা উন্নয়নের দল। যারা ছাত্র রাজনীতি করে, তারা হারে না, পিছনে দেখে না। বীরের মতো এগিয়ে যায়। আপনারা বীরের মতো এগিয়ে চলুন!” অধ্যক্ষদের অনেকের আশঙ্কা, টিএমসিপি-কে সংযত হওয়ার বার্তা না দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যা বলেছেন, তাতে কার্যত তাদের দাদাগিরিকেই প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে। আর শঙ্কুদেব যা বুঝেছেন বলে দাবি, তাতে এ বার টিএমসিপি-কে রোখা সত্যিই কঠিন হবে বলে আশঙ্কা অধ্যক্ষদের বড় অংশের!
ইংরেজির এমেরিটাস অধ্যাপক, শিক্ষাবিদ সুকান্ত চৌধুরীর বক্তব্য, “মুখ্যমন্ত্রী মুখে কিছু বলেননি বলে খুব একটা ক্ষতি হয়েছে, এমনটা ভাবার কারণ নেই। শিক্ষামন্ত্রী তো বলছেন। কী লাভ হচ্ছে তাতে? আসল জায়গায় বার্তাটা পৌঁছচ্ছে না।” তাঁর মতে, বিভিন্ন সময়ে সরকার এমন পদক্ষেপ করেছে, যাতে আসল জায়গায় বার্তা পৌঁছচ্ছে না। স্নাতক স্তরে অনলাইন চালু না করা তেমনই এক পদক্ষেপ বলে মত এই প্রবীণ শিক্ষকের। জাতীয় গ্রন্থাগারের প্রাক্তন ডিরেক্টর-জেনারেল, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির শিক্ষক স্বপন চক্রবর্তীর কথায়, “মুখ্যমন্ত্রী পেশাদার রাজনীতিক। উনি কী বলবেন, না বলবেন, সেটা উনিই ঠিক করবেন। কিন্তু আমার মতে, শিক্ষা ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক উপায়ে রাজনীতি চলতে পারে। ঘেরাওয়ের মতো শারীরিক নিগ্রহ  যেন বন্ধ হয়, তা দেখতে হবে।” কিছুটা সুকান্তবাবুর সুরে স্বপনবাবুরও বক্তব্য, “শিক্ষামন্ত্রীর বুধবারের বক্তব্যকে সমর্থন করি। কিন্তু কেবল বলে গেলাম, তাতে কাজ কিছু হল না, তা হলে কী লাভ!”
কী শিখলেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে? শঙ্কুদেবের জবাব, “অধ্যক্ষ-অধ্যক্ষাদের সম্মান করব। শিক্ষকদের কেউ কেউ অবশ্য ষড়যন্ত্র করতে পারেন, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে!” 

Mamta threatens CBI on Saradah Scam by TMC

মরে যাইনি, পাল্টা হুঁশিয়ারি মমতার

নিজস্ব সংবাদদাতা

কলকাতা, ২৯ অগস্ট, ২০১৪, ০৪:০৯:৩৭

(সৌজন্য - আনন্দবাজার পত্রিকা)
সারদা-কাণ্ডে সিবিআইয়ের তদন্তে সহযোগিতা করতে রাজ্য সরকার প্রস্তুত। দাবি করলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবার একই সঙ্গে তৃণমূল নেত্রী মমতার হুঁশিয়ারি, “রাজনৈতিক প্রতিহিংসা দেখিয়ে লাভ নেই! চিট ফান্ডের টাকায় আমাদের করে খেতে হয় না। আসল অপরাধীদের আড়াল করবেন না। মনে রাখবেন, আমরা কিন্তু মরে যাইনি!” সিবিআইয়ের তদন্তে যে ভাবে সারদার সঙ্গে তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীর যোগসাজশ উঠে আসছে, তাতে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্বেগই বৃহস্পতিবার তাঁর মন্তব্যে ধরা পড়েছে বলে বিরোধী শিবির মনে করছে।
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (টিএমসিপি) প্রতিষ্ঠা দিবসে এ দিন মুখ্যমন্ত্রী ফের দাবি করেছেন, তিনি সারদার ব্যাপারে কিছুই জানতেন না। জানতে পারার পরে তাঁর প্রশাসন কাশ্মীর থেকে সারদা-কর্তাকে ধরে এনেছিল। আমানতকারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার তহবিলও খুলেছিল। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “সিবিআই নিয়েছে (তদন্ত), ভাল কথা! ভাল করে তদন্ত করুক। আমরা সহযোগিতা করব। আমানতকারীরা যাতে টাকা ফেরত পায়, সেটা তোমরাই দেখবে। আমাদের এখন তো কিছু করার নেই।”
মুখ্যমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে কংগ্রেসের আইনজীবী-নেতা অরুণাভ ঘোষের মন্তব্য, “সিবিআই তদন্ত নিয়ে উনি চাপে আছেন। তাতে যা বলছেন, তার মধ্যে নানা স্ব-বিরোধিতা আছে। সিবিআই তদন্ত করছে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। সিবিআই একটা তদন্তকারী সংস্থা। টাকা ফেরানো তো তার দায়িত্ব নয়। তার মানে কি মুখ্যমন্ত্রী সুপ্রিম কোর্টকেই টাকা দিতে বলছেন?” একই সঙ্গে সহযোগিতার কথা এবং ‘মরে যাইনি’ বলে সিবিআইকে হুঁশিয়ারির প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র বলেছেন, “রাজ্য সরকার কেমন সহযোগিতা করছে, প্রতিদিন বোঝা যাচ্ছে!”
সহযোগিতা না-করলে রাজনৈতিক নেতাদেরও যে গ্রেফতারির মুখে পড়তে হবে, এ দিনই কিন্তু তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন স্বয়ং সিবিআই অধিকর্তা রঞ্জিৎ সিনহা। তিনি স্পষ্টই বলেছেন, “যেখানে সন্দেহের যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে, সেখানেই তল্লাশি চালাচ্ছি। কেউ যদি সহযোগিতা না করেন, তা তিনি রাজনৈতিক নেতাই হোন বা অন্য কেউ, তাঁকে গ্রেফতার করব।”
এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নরমে-গরমে সিবিআই নিয়ে মন্তব্য করলেও অসমের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ অবশ্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, “আমরাই দুই বছর আগে চিট ফান্ডগুলির বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত চেয়েছিলাম। পশ্চিমবঙ্গ বরং সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরে বাধ্য হয়ে সিবিআই তদন্ত করায়। ভুয়ো অর্থলগ্নি সংস্থাগুলি বহু মানুষকে ঠকিয়েছে। তাদের শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। দোষীদের খুঁজে বার করুক সিবিআই।”
মুখ্যমন্ত্রী মমতা কিছু মন্তব্য করেন সারদা-কাণ্ডের তদন্ত এবং জিজ্ঞাসাবাদ নিয়েও। যেমন, তাঁর প্রশ্ন অপর্ণা সেনকে কেন ডাকা হল? মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “রাজনৈতিক বিরোধ থাকতে পারে। কিন্তু উনি তো চাকরি করতেন। তাঁর কি দোষ?” সাংবাদিকদেরই বা দোষ কোথায়, প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ছাত্র-সমাবেশের মঞ্চ থেকেই স্পষ্ট জানিয়েছেন, সারদা-কাণ্ড প্রকাশ্যে আসার পরে সাংবাদিকদের মুখ চেয়ে চ্যানেল টেন চালাতেন তৃণমূল নেতা সমীর (বুয়া) চক্রবর্তী। বলেছেন, “চ্যানেল টেন বুয়া চালাত। এখন বন্ধ।” তারা চ্যানেলের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে টাকা দেওয়া হতো, তা-ও বলেছেন। যা থেকে বিরোধীদের কটাক্ষ, সারদার সম্পত্তির ম্যানেজার যে শাসক দল হয়ে উঠেছিল, মুখ্যমন্ত্রীর কথাতেই তো সে সব স্পষ্ট! কয়েক দিন আগে সারদা-কর্তা সুদীপ্ত সেনও বলেছিলেন, তাঁর সংস্থার অনেক সম্পত্তিরই হাতবদল হয়ে গিয়েছে।
বিরোধীরা প্রত্যাশিত ভাবেই সরকার তথা শাসক দলের উপরে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নানের দাবি, “অনেক রথী-মহারথী জড়িত বলে আগেই অভিযোগ করেছিলাম। বিধাননগরের পুলিশ তথ্য লোপাট করেছে। তাঁদেরও গ্রেফতার করতে হবে।” রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি রাহুল সিংহের বক্তব্য, ‘‘যারা গরিব মানুষকে ঠকিয়েছে, তাদের শাস্তি হোক।”

মমতার রাজনৈতিক মিথ্যাচার বন্ধ হোক

অপরাধীদের আড়াল করতে রাজনৈতিক কুত্সা ছড়ানো হচ্ছে, সিবিআইকে তোপ মমতার


সারদাকাণ্ডে ক্রমেই জাল গোটাচ্ছে সিবিআই। তৃণমূলের সর্বভারতীয় নেতার একদা ঘনিষ্ঠ সহযোগী থেকে শুরু করে মদন মিত্রর প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক, গোয়েন্দাদের নজর এখন প্রভাবশালীদের দিকে। এই প্রেক্ষাপটেই বৃহস্পতিবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সমাবেশ থেকে সিবিআইয়ের উদ্দেশে জোড়া বার্তা তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বললেন, তদন্তে সিবিআইকে সব ধরণের সহযোগিতা করবে সরকার, তবে সাধারণ মানুষের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে হবে। মমতার হুঁশিয়ারি, আসল অপরাধীদের আড়াল করে রাজনৈতিক কুত্‍সা করা চলবে না।
এদিনের সভা থেকে নাম না করে বিজেপির উদ্দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূলকে পদের টোপ এবং সিবিআই-এর ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না।
তৃণমূল নেত্রীকে পাল্টা খোঁচা দিয়ে বিরোধীদের প্রশ্ন, সারদা কেলেঙ্কারিতে দলের নেতাদের নাম সামনে চলে আসার ভয়েই কি এখন সিবিআই তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তিনি? তার সঙ্গে রাজনীতি জড়ানোর চেষ্টা করছেন?
বিরোধীদের আরও প্রশ্ন, সিবিআইয়ের কাজ সারদা কেলেঙ্কারির কোটি কোটি টাকা যাঁদের পকেটে ঢুকেছে তাঁদের গ্রেফতার করা, টাকা ফেরানো তো নয়! তাহলে টাকা ফেরতের কথা বলে কি সাধারণ মানুষের মনে সিবিআইয়ের তদন্ত সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? কারণ, এর আগেও তিনি একই ধরণের কথা বলেছিলেন।
এদিকে, সিবিআইকে মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির দিনই পাল্টা গর্জন করেছে সিবিআইও।  কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রের বক্তব্য, যেখানে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে, সেখানেই তল্লাশি চালানো হচ্ছে। যে রাজনীতিকরা তদন্তে সহযোগিতা করবেন না, তাঁদের গ্রেফতার করে হেফাজতে নেওয়া হবে।
সারদাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই জেলে রয়েছেন তৃণমূলের সাসপেন্ডেড সাংসদ কুণাল ঘোষ। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ আহমেদ হাসান ইমরান, বালুরঘাটের তৃণমূল সাংসদ অর্পিতা ঘোষ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার বস্ত্রমন্ত্রী শ্যামাপদ মুখোপাধ্যায়কে জেরা করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তৃণমূল নেতা রজত মজুমদারের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পর তাঁকে জেরা করেছে সিবিআই। বৃহস্পতিবারই মদন মিত্রর প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক বাপি করিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। হানা দিয়েছে তৃণমূলের এক সর্বভারতীয় নেতার ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত আসিফ খানের বাড়িতেও হানা দিয়েছে তারা। তৃণমূল সাংসদ সৃঞ্জয় বসুকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এসএফআইও। সব মিলিয়ে সারদা কেলেঙ্কারির তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সরগরম হয়ে উঠছে রাজ্য রাজনীতি।

Mamta has always been a vindictive politician - show cause to Presidency University dean

রেজিস্ট্রারের পরে ডিন, শোকজ করা হল প্রেসিডেন্সির ডিন অফ স্টুডেন্টসকে




রেজিস্ট্রারের পরে কি এবার নজরে ডিন? শোকজ করা হল প্রেসিডেন্সির ডিন অফ স্টুডেন্টসকে। আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে জবাব তলব বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে। প্রশ্ন উঠেছে, প্রেসিডেন্সিতে যে হামলায় শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের নাম জড়িয়েছে, তারই প্রতিবাদের জেরেই কি এই শোকজ?
ক’দিন আগেই সরকারি নির্দেশ মেনে রেজিস্ট্রারকে বদলি করেছে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়য় কর্তৃপক্ষ। এবার ডিন অফ স্টুডেন্টস-এর লিখিত জবাব তলব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে একাধিক আর্থিক অনিয়মের কারণ কী? জানতে চেয়ে প্রেসিডেন্সি কর্তৃপক্ষের চিঠি ডিন অফ স্টুডেন্টস দেবশ্রুতি রায়চৌধুরীকে। আইনজীবী মারফত সেই চিঠির উত্তরও দিয়েছেন দেবশ্রুতি। কিন্তু আচমকা এই চিঠিতে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। প্রশ্ন উঠেছে যে সময়কার অনিয়মের কথা বলা হয়েছে, তখন সরকারিভাবে সেই দায়িত্বে ছিলেন না ডিন অফ স্টুডেন্টস।
তাহলে কীভাবে অনিয়মের দায় তাঁর ওপর বর্তায়?
এমনকী, অডিট রিপোর্ট না দেখিয়েই এইভাবে জবাব তলব করা যায় কি না, তাও প্রশ্নের মুখে।
সর্বোপরি, গভর্নিং বোর্ডের অনুমোদন ছাড়া এই সিদ্ধান্ত নেওয়া বাস্তবসম্মত কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এবিষয়ে স্পষ্ট কোনও মন্তব্য করতে চায়নি প্রেসিডেন্সি কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে, ডিন অফ স্টুডেন্টস-এর বক্তব্য, আমি এবিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না। যা জানাবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।
প্রশ্ন উঠেছে, কর্তৃপক্ষের এই জবাব তলবের এক্তিয়ার নিয়েও। 
ঈশান স্কলার, আমেরিকার সোয়ার্স-এর পিএইচডি দেবশ্রুতি কি এবার শাসকের কোপে? তারই প্রক্রিয়া শুরু শোকজে? প্রশ্ন উঠেছে।
প্রেসিডেন্সিতে হামলায় নাম জড়িয়েছিল টিএমসিপির। হামলার প্রতিবাদে রাস্তায় নামে প্রেসিডেন্সি। সামনের সারিতে ছিলেন রেজিস্ট্রার এবং ডিন। রেজিস্ট্রারের বদলির পর ডিনের কাছে জবাব তলবকে তাত্পর্যপূর্ণ বলে মনে করছে শিক্ষামহলের একাংশ।

CBI raids Mamta leiutenant Madan Mitra's PA's home. Who is he?

CBI raids Mamta leiutenant Madan Mitra's PA's home on 28-08-2014. Who is he? 



Bapi Karim is the ex Personal Assistant of West Bengal CM's trusted lieutenant MADAN MITRA

MADAN MITRA himself is notorious for many known reason. Still he becomes minister in West Bengal cabinet headed by another liar politician Mamta!

Bapi Karim is charged with cheating, rape and attempt to murder!






Mamta threatens and lies about opponent political parties

চ্যালেঞ্জের পাল্টা তিন মহামিছিল করছে তৃণমূল

নিজস্ব সংবাদদাতা                      (সৌজন্য - আনন্দবাজার পত্রিকা)

কলকাতা, ২৮ অগস্ট, ২০১৪, ০৩:২১:১১  


বিজেপির রাজ্য সভাপতি তুষার মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মেদিনীপুর শহরে দলীয় মিছিল। বুধবার সৌমেশ্বর মণ্ডলের তোলা ছবি।

রাজ্যে একটি প্রতিদ্বন্দ্বী দলের উত্থান স্বীকারেই অনীহা তৃণমূলের। আর একটি দলের সম্পর্কে তারা প্রচার করে সেটি সাইনবোর্ডে পরিণত হয়েছে। অথচ সেই দুই দলের আন্দোলনের মোকাবিলায় পাল্টা কর্মসূচি নিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব।
সভা করার অনুমতি না দেওয়ায় মেদিনীপুর শহরে বুধবার বিশাল মিছিল করেছে বিজেপি। সেই মিছিলের পরেই তপসিয়ায় তৃণমূল ভবন থেকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মুকুল রায় অভিযোগ করলেন, “বিজেপি বাংলাকে অশান্ত করতে চাইছে। প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া তারা অস্ত্র নিয়ে মিছিল করেছে।” আর তারই প্রতিবাদ জানাতে আজ, বৃহস্পতিবার মেদিনীপুর কলেজ ময়দান থেকে তৃণমূলের ‘মহামিছিল’ শহর পরিক্রমা করবে। সেই মিছিলে মুকুলবাবু অবশ্য থাকতে পারবেন না। কিন্তু রাজ্য নেতাদের কয়েক জন থাকবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
বিজেপি নেতৃত্ব অবশ্য অস্ত্র নিয়ে মিছিল করার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, এ দিন মেদিনীপুরে তাঁদের কর্মসূচিতে মানুষের ঢল দেখে শাসক দল প্রমাদ গুনেছে। তাই ‘মিথ্যা অভিযোগ’ করছেন। তাঁদের সভা করার অনুমতি না দেওয়ায় জেলা পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে তাঁরা রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর কাছে চিঠি দিয়েছেন বলে জানান রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অসীম সরকার। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষের বিরুদ্ধে আজ কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও করবে বিজেপি। পুলিশ সুপারের বক্তব্য, “আইনশৃঙ্খলা দেখা পুলিশের কাজ। পুলিশ সেটাই করেছে।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলেও উত্তরবঙ্গ ‘উপেক্ষিত ও বঞ্চিত’ বলে অভিযোগ তুলে কাল, শুক্রবার শিলিগুড়িতে ‘উত্তরকন্যা’ অভিযানের ডাক দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। কংগ্রেসের এই কর্মসূচির প্রতিবাদ জানাতে পরশু, শনিবার শিলিগুড়ি ও বহরমপুরে পাল্টা ‘মহামিছিল’ করবে তৃণমূল। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেত্রীর নির্দেশেই মুকুলবাবুরা এই দু’টি কর্মসূচি নিয়েছেন। শিলিগুড়ি ও বহরমপুরে কেন তাঁরা মহামিছিল করবেন, তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে এ দিন মুকুলবাবু বলেন, “উত্তরবঙ্গ বাম আমলে সরকারের মনোযোগ পায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার মনোযোগ দিয়েই উত্তরবঙ্গে উন্নয়নের কাজ করছে। ‘উত্তরকন্যা’ স্থাপন করেছে। আর সেখানে অশুভ শক্তি সক্রিয় হয়ে উঠছে বলেই আমরা প্রতিবাদ মিছিল করব।”
মুকুলবাবুর সঙ্গে একযোগে দলের মহাসচিব ও রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমরা লক্ষ্য করছি, রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজে ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে কোনও কোনও দল অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আমরা গণতান্ত্রিক পথে তার প্রতিবাদ করব।” কিন্তু বহরমপুরে মিছিল কেন তা জানাতে গিয়ে তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, “অধীর-গড় বলে পরিচিত বহরমপুরে বিশাল মিছিল করে আমরা কংগ্রেসকে দেখিয়ে দিতে চাই, বাংলাকে অশান্ত করার চেষ্টা হলে মানুষ মেনে নেবে না।”
বহরমপুরের মিছিলকে বিশালাকার করতে তৃণমূল ভবনে মুর্শিদাবাদের সমস্ত নেতাকে জরুরি বৈঠকে ডেকেছিলেন মুকুলবাবু ও পার্থবাবু। কারণ মর্শিদাবাদে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটিতে দলের ‘ঐক্যবদ্ধ’ ছবি তুলে ধরতে চান মুকুলবাবুরা। কিন্তু বৈঠকে হুমায়ুন কবীর, সাগিরুদ্দিনর মতো নেতা, বিধায়ক সুব্রত সাহা-সহ জেলার শীর্ষ নেতারা থাকলেও ছিলেন না জেলার পর্যবেক্ষক ইন্দ্রনীল সেন। তবে দলের অপর জেলা পর্যবেক্ষক আশিস চক্রবর্তী ছিলেন। আশিসবাবুই জানান, জরুরি কাজে ব্যস্ত থাকায় ইন্দ্রনীল বৈঠকে থাকতে পারেননি। শিলিগুড়িতে মহামিছিলে রাজ্যের মন্ত্রী গৌতম দেব এবং বহরমপুরে পার্থবাবুর নেতৃত্ব দেওয়ার কথা।
রাজ্যে দু’টি উপনির্বাচনের আগে তাদের দুই প্রধান প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ জানাতেই শাসক দল মেদিনীপুর, শিলিগুড়ি এবং বহরমপুরে পাল্টা কর্মসূচি নিচ্ছে বলে মনে করছেন বিরোধী নেতৃত্ব।প্রদেশ কংগ্রেস নেতা ও বহরমপুরের বিধায়ক মনোজ চক্রবর্তী এ দিন বলেন, “রাজ্য সরকারের ব্যর্থতার বিরুদ্ধে আমরা একটা কর্মসূচি নিয়েছি। সেটা হওয়ার আগেই পাল্টা কর্মসূচি নিয়ে তৃণমূল বুঝিয়ে দিল, তারা আমাদের নিয়ে চিন্তিত।” বিজেপি নেতা অসীমবাবু বলেন, “শাসক দল আমাদের মিছিল দেখে উদ্বিগ্ন হয়েই তড়িঘড়ি পাল্টা মিছিলের ডাক দিয়েছে।”
মুকুলবাবুদের অবশ্য বক্তব্য, রাজ্যে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ দেখে বিরোধী দলগুলি থেকে প্রতিদিন নেতা-কর্মীরা তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। তাই তাদের অভিযোগ অবান্তর।