Showing posts with label agriculture. Show all posts
Showing posts with label agriculture. Show all posts

Monday, August 25, 2014

মমতার দূর্নীতির খেসারত দিতে হচ্ছে জনগনকে, আলু মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে

খুচরো আলুর দাম কেজিতে ২২ টাকার নীচে করা সম্ভব নয়, স্বীকার রাজ্যের


কলকাতা: অগ্নিমূল্য আলু। বাজারে গিয়ে নাভিশ্বাস ক্রেতাদের। কিন্তু, খুচরো বাজারে আলুর দাম ২২ টাকা কেজির নীচে করা সম্ভব নয়, তা কার্যত স্বীকার করে নিল রাজ্য সরকার। তবে, এবার থেকে ফেয়ার প্রাইস শপে প্রতিদিন ৩০০ মেট্রিক টন আলু ১৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি করবে রাজ্য সরকার।
আলুর মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সোমবার নবান্নে আলু ব্যবসায়ী ও হিমঘর মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। ছিলেন কৃষিমন্ত্রী, কৃষি বিপণন মন্ত্রী এবং মুখ্যসচিব।বৈঠক শেষে টাস্ক ফোর্সের সদস্য রবীন্দ্রনাথ কোলে জানিয়েছেন, দিল্লি, অসম, ওড়িশায় আলুর দাম পশ্চিমবঙ্গের থেকে অনেক বেশি। তাই রাজ্যে খুচরো বাজারে এই মুহূর্তে আলুর দাম কেজিতে ২২ টাকার কম করা যাবে না। বিকল্প হিসেবে এবার থেকে প্রতিদিন ফেয়ার প্রাইস শপে ৩০০ মেট্রিক টন আলু ১৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হবে।
আলুর দামে লাগাম টানতে সম্প্রতি ভিন রাজ্যে আলু রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল রাজ্য সরকার। পাল্টা পশ্চিমবঙ্গেও সবজি সরবরাহ বন্ধ করে দেয় সেইসব রাজ্য। কার্যত চাপে পড়েই কয়েকদিন পর নিষেধাজ্ঞা সাতদিনের জন্য তুলে নেয় রাজ্য সরকার। এবার তা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হল। তবে, টাস্ক ফোর্সের তরফে জানানো হয়েছে, প্রতিদিন ৭০০ মেট্রিক টনের বেশি আলু ভিন রাজ্যে রফতানি করা যাবে না।

সরকারি আলুর দাম কেজিতে ১৪ টাকা হলেও ক্রেতাদের অভিযোগ, তার গুণগত মান অত্যন্ত খারাপ। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে, পচে নষ্টও হয়েছে বস্তা বস্তা আলু। এনিয়ে সরকারের কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। রাজ্য সভাপতি বিজেপি।  রাহুল সিংহ বলেছেন, সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের খেসারত দিতে হচ্ছে জনগণকে। যে বোঝা বওয়ার দায়িত্ব ছিল সরকারের, সে বোঝা বইতে হচ্ছে মানুষকে, অভিযোগ বিজেপির।

এই পরিস্থিতিতে সরকারের ফেয়ার প্রাইস শপে রোজ ৩০০ মেট্রিক টন আলু ১৪ টাকা কেজিতে মিললেও তা বাজারের অভাব পূরণ করতে পারবে কি? রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগে সাধারণ মানুষ যে কতটা উপকৃত হবেন? তা নিয়ে কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

মমতার দুনীতির ফলে নষ্ট করতে হচ্ছে আলু, বঞ্চিত জনগণ


আলুর গতি ধাপার মাঠ, মন্ত্রী বলছেন জানা নেই

নিজস্ব সংবাদদাতা

কলকাতা, ২৫ অগস্ট, ২০১৪, ০৩:২৪:২২

আলাদা করা হচ্ছে নষ্ট হয়ে যাওয়া আলু। রবিবার মিলনমেলায়। 

যাওয়ার কথা হেঁশেলে। তার বদলে আলুর অন্তিম যাত্রা ধাপার মাঠেই!
কারণ, জবরদস্তিতে লাভ হয়নি। কাঠখড় পুড়িয়ে ১৪ টাকা কিলোগ্রাম দরে জ্যোতি আলু বিক্রির চেষ্টাও ফলপ্রসূ হয়নি। অগত্যা মিলনমেলায় ডাঁই করা আলু যাচ্ছে ধাপায়। তবে কৃষি বিপণন মন্ত্রী নাকি তা জানেনই না! তিনি বলছেন, “খোঁজ নিচ্ছি।”
ভিন্ রাজ্যে রফতানির আলুর লরি আটকে জোরজবরদস্তি করে আলুর জোগান বাড়াতে গিয়ে দু’সপ্তাহ আগে মিলনমেলায় আলুর গুদাম খুলেছিল রাজ্য সরকার। চাহিদা ও জোগানের স্বাভাবিক বাজার-নীতি গায়ের জোরে অস্বীকার করার চেষ্টা সফল হয়নি। সরকারের বেঁধে দেওয়া ১৪ টাকায় নয়, বাজারে ২২ টাকা কেজি দরেই বিকোচ্ছে জ্যোতি আলু। আর মিলনমেলায় ডাঁই করতে গিয়ে বিপুল পরিমাণ আলু গিয়েছে পচে! ৯ অগস্ট সেখানে ৩০ হাজার কুইন্টাল আলু আসে। পক্ষকালের মধ্যে তার ১০% অর্থাৎ তিন হাজার কুইন্টাল আলু পচে গিয়েছে। পচা আলু পুরসভার গাড়ি বোঝাই করে ফেলা হচ্ছে ধাপায়।
মিলনমেলার দুই, তিন ও চার নম্বর হ্যাঙারে ডাঁই করা ছিল ৫৮ হাজার বস্তা। প্রায় ৩০ হাজার কুইন্টাল আলু। রবিবার দেখা যায়, দুই ও চার নম্বর হ্যাঙার খালি। তিন নম্বরে আলু বাছাই চলছে। এসি চালু। পচা আলুর দুর্গন্ধে টেকা দায়। তা সরাতে কয়েকটি গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। একটি গাড়ির চালক প্রদীপ মণ্ডল বললেন, “ধাপায় পচা আলু ফেলতে এক-এক বারে ৩০ বস্তা গাড়িতে তুলছি।”
মিলনমেলার হ্যাঙারে রাখা আলুর ধাপা-যাত্রার কথা তিনি জানেন না বলেই দাবি করছেন কৃষি বিপণন মন্ত্রী অরূপ রায়। তিনি বলেন, “কলকাতা পুরসভা বিষয়টা দেখছে। ওদের সঙ্গে কথা বলে জানতে হবে।” কী বলছে পুরসভা? “বিষয়টি পুর বাজার বিভাগ দেখছে,” বলে দিলেন পুর কমিশনার খলিল আহমেদ। তবে সরকারি নির্দেশেই যে মিলনমেলায় আলুর রক্ষণাবেক্ষণ চলছে, তা বুঝিয়ে দিয়ে মেয়র-পারিষদ (বাজার) তারক সিংহ বলেন, “সরকার আমাদের যেমন নির্দেশ দিচ্ছে, সে-ভাবে কাজ হচ্ছে।”
পুরসভার বাজার বিভাগ একটি অফিস খুলেছে মিলনমেলায়। ওই অফিসের ভারপ্রাপ্ত এক কর্মী বলেন, “এ ভাবে রাখলে সব জায়গাতেই আলু পচবে। রবিবার পচে যাওয়া ১১০ বস্তা আলু ফেলা হয়েছে। আমাদের প্রাথমিক হিসেব বলছে, ৮-১০% আলু নষ্ট হয়ে গিয়েছে।”
ধাপায় আলু ফেলার জন্য ছাড়পত্র সহজে মিলছে না। কারণ, পুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কর্মীরা কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ভিতরে যেতে দিচ্ছেন না। ধাপার কিছু সাফাইকর্মী জানান, পচা আলু কয়েক দিন ধরেই ফেলা হচ্ছে ওখানে। পচা আলুর বস্তার উপরেই অন্য জায়গা থেকে সংগৃহীত জঞ্জাল চাপা দিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
সরকার ফরমান দিয়েছিল, ভিন্ রাজ্যে আলু পাঠানো যাবে না। অন্য রাজ্যে পাঠানোর পথে আলুর লরি ধরা শুরু হয় ২৮ জুলাই। আটক করা সেই আলুই নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় ১৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি করার জন্য আনা হয়েছিল মিলনমেলায়। কিন্তু আলু ধরার পড়ে মিলনমেলায় আনতে সময় লেগেছে আনেকটাই। তার মধ্যেই গরমে প্রচুর আলু নষ্ট হয়ে গিয়েছে। ক্রেতারা তা নিতে চাননি। ৮-৯ টাকা দরে বিক্রির চেষ্টা করেও লাভ হয়নি।
ব্যবসায়ীদের একাংশের বক্তব্য, শুধু কলকাতায় আলু ডাঁই করে ফেলে না-রেখে সরকার যদি আশপাশের এলাকায় তা বিক্রির চেষ্টা করত, কিছুটা লাভ হতে পারত। অন্তত এত আলুর ধাপা-প্রাপ্তি ঠেকানো যেত।

Friday, February 8, 2013

20 Crore rupees for Soil Fest? Who benefitted?

Farmers of West Bengal questions for whose sake Mamata Banerjee Govt. spends crores of public money to organise "SOIL FEST" at Panagarh, Burdwan Dist. West Bengal from 09.02.2013 to 16.02.2013 when farmers don't get enough water from canals or submersible pumps -(which has become dysfunctional for last two years - for farming. Mamata self-declared honest only using public money for benefit of whom?