হেফাজতে থাকা অভিযুক্তকে ফের গ্রেফতার দেখানোর জের, পাড়ুই থানার ওসিকে সরানোর অনুরোধ আদালতের, সাসপেন্ডের সুপারিশ আইও-কে


পুলিশের হেফাজতে থাকা অভিযুক্তকে ফের গ্রেফতার দেখানোর জের। পাড়ুই থানার ওসিকে সরিয়ে দিতে পুলিশ সুপারকে অনুরোধ সিউড়ি আদালতের। সাসপেন্ড করার সুপারিশ এক তদন্তকারী অফিসারকে। গতকালই পাড়ুই থানার ওসিকে তলব করে তিরস্কার করেন বিচারক।
শুনানির শুরুতেই এদিনও পাড়ুই থানা ওসি এবং তদন্তকারী অফিসারকে তীব্র ভর্ত্সনা করেন বিচারক। তিনি বলেন, সামগ্রিক পরিস্থিতি খুব দুর্ভাগ্যজনক. শুধু অভিযুক্তর জন্য নয়, আদালতের জন্যও। এই পরিস্থিতি তৈরি হল পুলিশ অফিসারদের চূড়ান্ত অকর্মণ্যতার জন্য। এই ঘটনা তদন্তকারী অফিসারের চূড়ান্ত স্বৈরাচারী মনোভাবের পরিচয়। সে কাজে সমর্থন ছিল ওসির। এবং একজন ডিএসপি দ্বিতীয় দফার হেফাজত চাওয়ার আবেদন আদালতে পাঠিয়েছেন।
তদন্তকারী অফিসারেরও কড়া সমালোচনা করে বিচারক বলেন, শুধু মন্তব্য করে বা সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়াটা সম্ভব নয়। যদি আদালত এক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে ভুল বার্তা যাবে। পরবর্তী সময়ে এধরনের কাজ করে সবাই ‘ভুল হয়ে গিয়েছে’ বলে পার পেয়ে যাবে।
এটা স্পষ্ট, তদন্তকারী অফিসার ধ্রুবজ্যোতি দত্ত আলি জিন্নাকে পাড়ুই থানার পুলিশ লকআপ থেকে বের করে ১৫২ নম্বর মামলার অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পেশ করেছেন। অথচ আদালতের রেকর্ডে দেখানো হয়, আলি জিন্নাকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারী অফিসার মিথ্যা বিবৃতি দিয়েছেন এবং পুরো ঘটনাক্রমকে ভুলভাবে দেখিয়েছেন। আদালত এই মামলাটি হাইকোর্টের নজরে নিয়ে আসবে। আদালত তদন্তকারী অফিসারকে সরাসরি সাসপেন্ড করার সুপারিশ করছে।
পুলিশ সুপারকে অনুরোধ করছি, এই কথা ভেবে দেখতে, তার পুলিশ বাহিনীকে কোন অফিসাররা কাজ করছেন, এবং তাঁরা আদৌ কাজ করার যোগ্য কিনা।
এরপর পাড়ুই থানার ওসিকে তীব্র ভর্ত্সনা করে বিচারক মন্তব্য করেন, অফিসারের দেওয়া নথিতে অন্ধের মতো সই করেছেন ওসি। সেসময় ওসি ঘুমোচ্ছিলেন কিনা, আমরা বুঝতে পারছি না। আমাদের যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। যখন তদন্তকারী অফিসার আলি জিন্নাকে লক আপ থেকে বের করছেন, তখনও ওসি বুঝতে পারলেন না কী হচ্ছে! আদালত সুপারিশ করছে, ওসির ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পুলিশ সুপার বিভাগীয় তদন্ত করুন। ন্যূনতম ডিএসপি পদমর্যাদার অফিসারকে দিয়ে বিভাগীয় তদন্ত করানো হোক। আদালত পুলিশ সুপারকে অনুরোধ করছে, কার্তিকমোহন ঘোষকে যত দ্রুত সম্ভব ওসির পদ থেকে সরানোর জন্য।
সরকারি আইনজীবীও স্বীকার করে নিয়েছেন, পাড়ুই থানার লকআপে বন্দিদের অতিরিক্ত ভিড়ের জন্য এই ভুল। আদালতের নির্দেশে সরকারি আইনজীবীর সেই মন্তব্যেরও উল্লেখ রয়েছে।
ধৃত আলি জিন্নাকে আগের মামলা অর্থাৎ ১৫৫ নম্বর মামলার তদন্তকারী অফিসারের হাতেই ফেরত পাঠিয়েছে আদালত। ধৃতের ৩ নভেম্বর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজত বহাল রয়েছে। সেই তদন্তকারী অফিসারকেও আদালত এই ভুলের জন্য সতর্ক করেছে।



Nov 01 2014 : The Times of India (Kolkata)


Are Your Men Eligible For Job, SP Asked
In a stinging indictment of Birbhum police, a Suri court on Friday directed SP Aloke Rajuria to suspend investigating officer Dhrubajyoti Dutta, relieve Parui OC Kartik Mohan Ghosh of duty , and hold a departmental inquiry into why police claimed they had arrested a `suspect' in the Makhra violence a second time when he was already in police custody .Chief judicial magistrate Indranil Chatterjee also urged the SP to think about the “kind of officers“ serving in his department and whether they are eligible for the job. Magistrate Chatterjee said he would draw the attention of Calcutta high court to the matter.
“The OC, Parui, has blindly signed the papers given to him by his officers... It is not possible for the court to ascertain whether he was sleeping or not... There remains a shadow of doubt. To remove these doubts the court recommends that the police superintendent initiate an in-depth inquiry ,“ magistrate Chatterjee said.The probe has to be conducted by someone ranked not below deputy SP .
During the hearing, the magistrate asked the Parui OC if he had submitted the report according to the court's directions on Thursday . When Ghosh said he had, assistant public prosecutor Kuntal Chatterjee told the magistrate: “I have read the report. It says the name was added as a mistake.But it does not explain why it is written that the second arrest was made from home.“ At this the magistrate asked, “Well, Mr APP , now at 10.30 am you are in the court. If somebody suddenly says that you are in Mumbai, how can it be possible?“ Chatterjee got the cue and replied, “Then somebody is lying, sir.“
On Thursday , police had produced Makhra violence suspects Biswanath Bagdi and Ali Jinna in magistrate Chatterjee's court. They were accused in case No. 152, lodged by police on the Makhra incident.To his surprise, the magistrate found that Jinna had already been arrested in case No. 155, filed by the father of slain BJP supporter Tousif Sk, on Tuesday . He had been produced in magistrate Chatterjee's court on Wednesday and remanded in five-day police custody . The magistrate summoned the SP, OC and investigating officer to explain the goof-up. Rajuria couldn't appear in court because of a personal bereavement and sent deputy SP Samit Chatterjee in his stead.
During the hearing, IO Dutta kept mumbling “sorry“ when the court sought answers. When the court asked the DSP what action had been taken, he said all steps will be taken in accordance with the court order. In the report, the IO and OC admitted there was a “mistake“.
Dutta tried to clarify that his real intention was to mention Jinna as “shown arrest“.The magistrate cornered him by asking why was Jinna then shown as arrested from home?
As Dutta fumbled, the magistrate remarked, “The development is very unfortunate...not only for the accused but also for the court. And it happened solely due to callousness of police.“
Jinna's lawyer Malay Muk herjee was quick to seize on the goof-up, saying, “If the arrest is a mistake, he should be released from this case. He is an innocent college student and was arrested only because his father is active in politics.“
Meanwhile, six more suspects were arrested on Friday for the Makhra violence. Five of them are Trinamool Congress supporters and the sixth is a BJP man. This takes the number of arrests to 17. All six have been remanded in police custody till November 5.
Two more suspects were arrested on Friday for the attack on Parui cops in Chowmandalpur village, taking the number in custody to 10.